ইরফান খান > জীবনের শেষ সাক্ষাৎকার >> ভাষান্তর : মাইনুল ইসলাম মানিক

0
524

ইরফান খান > জীবনের শেষ সাক্ষাৎকার

ইরফান খানের বিদায়ের সংবাদটি সবার কাছে শোকাবহ। সম্প্রতি তাঁকে ক্যামেরার সামনে দেখা গিয়েছিল এবং মনে হয়েছিল তিনি নিউরোএন্ডোক্রিন টিউমারের সাথে লড়াইয়ে জিতে ধীরে-ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছেন। কিন্তু বলিউডের এই কিংবদন্তির হঠাৎ বিদায় আমাদের বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে। এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়, ইরফান ভারতীয় চলচ্চিত্র তথা বিশ্বচলচ্চিত্রের অন্যতম মেধাবী ও শক্তিমান অভিনেতা ছিলেন। আমরা হয়ত তাঁকে পর্দায় আর দেখতে পাব না, কিন্তু তিনি আমাদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন চিরকাল। তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়ে তাঁর দেয়া জীবনের শেষ সাক্ষাৎকারটি ফিল্মফেয়ার পুনঃপ্রকাশ করে। সেই সাক্ষাৎকারেরই অনুবাদ এটি।

আপনি এখন যে অবস্থানে আছেন, এই অবস্থানে আসতে কী খুব বিলম্ব হয়েছে?
এটাকে আমি বিলম্ব হিসেবে দেখি না। এটা আসলে একটা প্রক্রিয়া। আমি এই প্রক্রিয়াটা সম্পর্কে ভাবলে আনন্দিত হই, কারণ এর পেছনে কোন কৌশল বা কলকাঠি নেই। প্রক্রিয়াটা যেভাবে ধীরে-ধীরে আমার কাছে উন্মোচিত হয়েছে, বলা যায়, তা ছিল একবারেই ভাবনার অতীত। এটি এমনভাবে হয়ে উঠেছে যেন জীবনই আমাকে এর জন্যে প্রস্তুত করে তুলছিল। এটাই রহস্য, জীবনের ভেলকি। আমার কাছে এই ক্রমান্বয়ে ঘটে যাওয়া প্রক্রিয়াটি নান্দনিক ও হৃদয়গ্রাহী মনে হয়।

আপনার কাজ এবং সাম্প্রতিক সময়ের ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্তি নিয়ে সমালোচকদের ভুয়সী প্রশংসা আপনাকে কতটা বাড়তি উৎসাহ জোগায়?
আমি যে পর্যায়টি পছন্দ করেছি, একদিক থেকে আমার মনে হয় আমি সেখানে পৌঁছে গেছি। আমি আমার পরিচালক বাছাই করে নিতে পারি, প্রোজেক্ট বাছাই করে নিতে পারি। এই অবস্থানে আসতে আমার দীর্ঘ সময় লেগেছে, যদিও আমার মনে হয় যেখানে পৌঁছুতে চাই সেখানে এখনো পুরোপুরি পৌঁছতে পারিনি। কিন্তু হ্যাঁ, এখন আমি আমার ইচ্ছে অনুযায়ী বাছাই করে নিতে পারি।

দীর্ঘ পরিক্রমায় আপনার ক্যারিয়ার দীর্ঘ হওয়ার বিষয়টি কি আপনার ভালো লেগেছিল?
অন্য কিছুও হতে পারত। সম্ভবত আমার জীবনটা একটা ভিন্ন আবর্তন নিয়েছে। আমি যেভাবে লেগে ছিলাম সেভাবে যদি লেগে না থাকতাম, তাহলে এসব বিষয় নিয়ে হয়ত ভাববার অবকাশ থাকত। আমি মনে করি, এসব ভাবনা এখন নিরর্থক চর্চা মাত্র। এই ধরনের ভাবনাচিন্তায় আমি আমার মেধা ব্যয় করতে চাই না। বরং আমার চেষ্টার কোন অন্ত থাকবে না। চেষ্টাই হচ্ছে বিকাশের পথ। আমার কাছে এর মানে হচ্ছে, জীবন আমার জন্যে উন্মুক্ত এবং তার চমকগুলো দেখিয়ে যাচ্ছে।

আপনি ‘ডি-ডে’ মুভিতে একজন র-এর এজেন্ট হিসেবে অভিনয় করেছেন। একজন অভিনেতা কীভাবে এমন একটি চরিত্রে নিজের মন ও মননকে সংযুক্ত করতে পারে?
কখনো কখনো আপনাকে এতটা গভীরে যেতে হবে না। আমাদের বাণিজ্যিক সিনেমাগুলো যেভাবে তৈরি হচ্ছে, তাতে আপনি নিজেকে চরিত্রের অতটা গভীরে প্রোথিত না করলেও চলবে। আমি শুধু হিসেব করছিলাম, চরিত্রটির জন্য আমার যথার্থ প্রয়াস কি হবে। কারণ একজন অভিনেতা হিসেবে আপনি সেটাই তো চাইবেন। এই চরিত্রটিতে কিছু বিষয় নিজের ভেতর রাখার প্রয়োজন পড়েছিল। সেটি অন্তত অভিনয়ের সাথে সঙ্গতি রেখেই। এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত যথেষ্ট গবেষণা হয়েছে। তাছাড়া পরিচালকও অতটা চপলতা চাইছিলেন না, তাই নিজেকে ধরে রাখতে হলো। আপনার শুধুমাত্র কিছু তথ্য দরকার, তারপর কাহিনি শেষ; কাজ শেষ। তবে এই কাজটির ক্ষেত্রে এটুকু বলতে পারি, যখনই আমি অপ্রত্যাশিতভাবে সুক্ষ্ম কিছু একটা করেছি, নিখিল (আদভানি) সেটা খুবই আনন্দের সাথে নিয়েছেন। এই ব্যাপারটা আমার বিশ্বাস জুগিয়েছে।

নিজেকে গুটিয়ে রাখাটা মূলধারার সিনেমার বিষয়ে আপনাকে বিচলিত করেনি?
না, একবারেই না। কিন্তু কখনো কখনো আপনি এই বিষয়ের উপর নির্ভর করতে পারবেন না। আপনি যদি চলচ্চিত্রের নির্মাণশৈলীর সাথে বা পরিচালক কী চাইছেন তার সাথে সম্পৃক্ত না হতে পারেন, যদি অভিনয়টা একবারে ভাসাভাসা হয় এবং আপনার মন ও মননে এর কোন আলোড়ন না তোলে তবে সেটা হবে শঙ্কার কারণ। তখন মনে হবে কেউ আপনার কাছ থেকে সবকিছু নিয়ে গেছে। আপনার ভেতর যেন কিছুই আসছে না, সবই যেন চলে যাচ্ছে, আপনি যেন ক্ষয়ে যাচ্ছেন। আর আপনি যখন একটি চরিত্রের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে যাবেন, আপনার ভেতর ও বাহিরের মধ্যে একটা সমন্বয় ঘটবে, সেটাই প্রকৃতপক্ষে বিনিময়। বিষয়টা তখন এমন হয়ে দাঁড়াবে যে আপনার ব্যাটারি ঠিক ঠিক রিচার্জ হচ্ছে। সে সময় যা ঘটবে, সেটা মূলত একটা পুরস্কার। এটাই একজন অভিনেতাকে বাঁচিয়ে রাখে। এটাই ক্যারিয়ারের বৈচিত্র্য। আমার মনে ভাবনা আসে- লেখক, চিত্রকর বা খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রেও এমনটা হয়ে থাকে। আপনি যখন যান্ত্রিকভাবে সবকিছু করে যাবেন, আপনার নিজেকে চমকে দেয়ার জন্যেই বিরতি টানবেন, কারণ আপনি জানেন এরপর কী হতে যাচ্ছে। যান্ত্রিকভাবে সবকিছু করে যাওয়াটা খুবই বিরক্তিকর।

করন জোহর বা যশরাজের মুভিতে আপনাকে নেয়া হলে কেমন হতো? সেক্ষেত্রে কি বিচ্ছিন্নতা আসত?
দেখুন, আমি মনে করি তাদের মুভির চরিত্রে যদি আমার অভিনয় করার মতো কিছু না থাকে, তাহলে তারা আমাকে কাস্ট করবেন না। কাস্টিংটা যদি ভালো হয়, সেখানে বিচ্ছিন্নতার কিছু দেখি না।

ঋষি কাপুরের সাথে ‘ডি-ডে’ মুভিতে অভিনয়ের ক্ষেত্রে আপনার কোন মুগ্ধতার মুহূর্ত আছে কি?
আমার কাজিন তাঁর খুবই ভক্ত। আমিও তার সবগুলো মুভি দেখেছি। আমার কখনোই মনে হয়নি আমার মধ্যে ঋষি কাপুর হওয়ার মতো কিছু আছে। তিনি তরল-গরল। তিনি তাঁর নিজেকে তুলে নেয়ার মতো এতসব কাজ এত চমৎকারভাবে করেছেন এবং তিনি এমনসব তারকাদের একজন, যার কথা বলে বোঝানো যাবে না; এমনকি তিনি যদি একই জিনিস একের পর এক মুভিতে করে যান তবুও। আমি মনে করি, এই বিষয়টিই তাঁর দ্বিতীয় ইনিংসকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলছে। তাঁর আর স্টার হওয়ার কিছু নেই। একজন অভিনেতা হিসেবে তিনি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দিয়েছেন।

কোন বিষয়টি নিশ্চিত হলে আপনি কোনো কাজে অর্থাৎ মুভিতে সম্মতি জানান?
সচরাচর পরিচালক এবং আমার রোল এই দুটোর উপর ভিত্তি করে সম্মতি দিতাম। আমি দেখতাম এই রোলের পরিণতিতে একজন অভিনেতা হিসেবে আমাকে কোথায় নিয়ে যাবে। আর তার সাথে আর্থিক বিষয়টা তো অবশ্যই ছিল, যদিও আর্থিক ব্যাপারে অযৌক্তিক চাহিদা আমার ছিল না। আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল মুভির সেট আপ, সংশ্লিষ্ট লোকজন। ফিল্ম সম্পন্ন হতে পর্যাপ্ত সময় লাগে এবং মাঝেমধ্যে এই সেটআপের লোকজনের সাথে আপনার সময় কাটাতে হতে পারে। এই সময়টুকু আপনি যাদের সাথে কাটাবেন, সেই সময়টা উপভোগ্য হতে হবে। তাই একেও গুরুত্ব দিয়েছি।

আপনি কি আপনার ভাবনার বিপরীতে কখনো কাজ করেছেন যা আপনার কাজে লেগেছে?
সত্যি বলতে, আমি ‘দ্য নেইমসেইক’-এর ব্যাপারে তেমন নিশ্চিত ছিলাম না। আমি শুধু পৌরুষোচিত অভিনয় করতে চেয়েছি।‘দ্য ওয়ারিয়র’-এর পর সমসাময়িক ভূমিকায়। আর এটি ছিল আমার ভাবনার একেবারেই বিপরীত একটা বিষয়। আমি নিশ্চিত ছিলাম না আমি ঠিক যেখানে যেতে চাই- এই রোল আমাকে সেখানে নিয়ে যাবে কি-না। কিন্তু মীরার উপর আমার বিশ্বাস ছিল এবং আমি ঝুম্পা লাহিড়ীর কথাগুলোর প্রতি সুবিচার করতে চেয়েছি। যখন এটা চুড়ান্তভাবে মুক্তি পেলো, তেমন বিস্ময়কর কিছু হয়ে উঠতে পারেনি। আমি জানতাম না, আমি নিজেকে ‘হাসিল’-এর মতো একটা নেতিবাচক চরিত্রে কীভাবে শিফট করবো, কিন্তু সেটা কাজে লেগেছিল।

বিদেশে ভারতীয় সিনেমাকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে আপনি কী করে থাকেন?
বিদেশীরা যখন ভারতীয় সিনেমার সাথে যুক্ত হয়, তারা মূলত একধরনের প্রশংসাসূচক চেতনার সাথে যুক্ত হয়। কিন্তু আমাদের এখনো অর্জনের অনেক কিছুই বাকি আছে, বিশেষ করে গল্পের মানের ক্ষেত্রে, গল্পের বিশ্বাসযোগ্যতার ক্ষেত্রে, চরিত্রগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতার ক্ষেত্রে। ভারতীয় ফিল্মে কেউই এখন আর বিশ্বাসযোগ্য চরিত্রের প্রত্যাশা করে না। লোকেরা এখন আর এসব সিনেমার সাথে সংযুক্ত হতে চায় না, তারা শুধু মজা পাবার জন্যেই সিনেমা দেখে।
স্লামডগ মিলিয়নিয়র, দ্য নেইমসেইক এবং লাইফ অব পি, এই ফিল্মগুলো তো জানিয়ে দেয় ভারতেও ভালো গল্পের সিনেমা তৈরি হচ্ছে।
কাকতালীয়ভাবে একের পর এক বেশকিছু ঘটনা ঘটে গেছে। সেগুলোর অংশ হতে পেরে আমি ভাগ্যবান। যখন স্লামডগ বের হল, লোকে বলতে লাগল, আরে, এটা ভারতীয় ফিল্ম নয়। তারপর যখন অনুরাগের ‘দ্যাট গার্ল ইন ইয়েলো বুটস’ কান চলচ্চিত্র উৎসবে সাফল্য পেল, তারা বলল, এটা ফ্লুক ছিল। স্লামডগ বা ‘লাইফ অব পাই’ হয়ত কারিগরি দিক থেকে ভারতীয় ফিল্ম নয়, কিন্তু এতে ভারতীয় মেধা সংযুক্ত ছিল, ভারতীয় সামাজিক পরিবেশ রয়েছে; ভারতীয়রা এই ফিল্মগুলোর সাথে সম্পৃক্ত থেকেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এই ফিল্মগুলো দেখবে এবং ভাববে, এগুলো আমাদেরই সিনেমা। এই ফিল্মগুলোর উপর ভিত্তি করে তারা তাদের প্রত্যাশা ও স্বপ্নের ডালপালা মেলবে। ভালো দিক হচ্ছে, এখন ভারতীয় সিনেমাকে গভীর আবেগের সাথে নিচ্ছে সবাই।

ভারতীয় অভিনেতাদের বিষয়টা কীভাবে দেখেন? এই বিষয়টাও কি গুরুত্ব পাচ্ছে?
হ্যাঁ, এটা একটা প্রক্রিয়া, এটা হচ্ছে। কারণ, হলিউড এই ধারাটা পেয়ে গেছে। ভারতনির্ভর আন্তর্জাতিক প্রোজেক্টের সময় এসে গেছে।

‘লাঞ্চবক্স’ সম্পর্কে আমাদের কিছু বলুন। আমরা শুনেছি এটি কান ফেস্টিভ্যালে অভাবনীয় সাড়া ফেলেছিল।
এটি ছোট্ট একটি সুন্দর ভারতীয় ফিল্ম, ইন্দো-ফ্রেঞ্চ-জার্মান সংযোগে তৈরি হয়েছে। এটি কান ফেস্টিভ্যালে ২০১৩ সালে প্রদর্শিত হয়। এটা এত তাড়াতাড়ি বিক্রি হয়ে যায় যে, কয়েকটা রেকর্ড করে ফেলে। ক্রেতারা ফিল্মটি পাওয়ার জন্যে অপেক্ষা করতে চাননি। তারা এজেন্টের মাধ্যমে একটা লাইন দিয়ে ফেলেছিল। শেষ অব্দি সনি পিকসার্চ এটা কিনে নেয়।

ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক সিনেমার মধ্যে যে গ্যাপ আছে, সেটা আমরা কীভাবে পূরণ করতে পারি বলে মনে করেন?
আমার মনে হয়, পারস্পরিক সহযোগিতাই এর একমাত্র সমাধান। আমাদের উচিত আন্তর্জাতিক মেধাবীদেরকে বিশেষ করে পরিচালক, টেকনিশিয়ানদেরকে এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা উচিত এবং এমন ফিল্ম তৈরি করতে হবে যা ভাবনাকে রূপ দেবে। এই জায়গাটি এখনো খুব একটা বিকশিত নয়। কিন্তু সব ধরনের ব্যবসার ক্ষেত্রেই সময় নেয়া উচিত। ফিল্মের ক্ষেত্রে সর্বজনীন সূত্রগুলি খুঁজে বের করাটা একটা কৌশল বলে মনে করি। আমি মনে করি, লাঞ্চবক্স সেই কাজটি করতে পেরেছে। এটি একটি ইন্দো-ফ্রেঞ্চ-জার্মান প্রোডাকশন হলেও দিনশেষে এটি এমন একটা ভালোবাসার গল্প, যা পৃথিবীর যে-কোন স্থানের সাথে মানানসই।

কখনো কাজ পাওয়ার সন্ধান করেছেন?
কাজের অপেক্ষায় ছিলাম। বলা যায় দীর্ঘ অপেক্ষায়। একটা সময় ভাবতাম, অমুক ডিরেক্টরের সাথে দেখা করবো এবং তাকে অমুক পিকচার ও বুমটা দেখাবো। যখনই এমনটা চেষ্টা করেছি, হিতে বিপরীত হয়েছে। আপনি যখন সঠিক লোকটির সাথে সাক্ষাৎ করতে পারবেন না, তখন আপনার ঠিকভাবে কাজ করা হবে না। তাছাড়া আমি ছিলাম অনেকটা লাজুক প্রকৃতির মানুষ। তাই এটি আমার চেতনার বিপরীতে কাজ করে। তবু আমি ভাগ্যবান, কখনোই কাজের বাইরে ছিলাম না। কিন্তু আমি সবসময়ই অপেক্ষায় থাকতাম। যখন টিভিতে কাজ করেছি, তখন ফিল্মের অপেক্ষায় ছিলাম, যখন ফিল্মে এলাম, তখন সঠিক চরিত্রের অপেক্ষায় ছিলাম, যখন চরিত্রটা পেলাম, তখন সঠিক ছবির অপেক্ষায় থাকতাম। এটি মূলত একটা অনিঃশেষ প্রক্রিয়া।

আপনার কাছে সাফল্যের অর্থ কী?
এর অর্থ হচ্ছে, নিজের পছন্দ অনুযায়ী চর্চা করতে পারা, আপনি বাধ্য হয়ে করছেন এমনটা নয়, বরং আপনি যা করতে চাচ্ছেন তা করতে পারা। আমি এখনও শিখছি, এবং প্রতিটি প্রোজেক্ট থেকেই নতুন কিছু শেখার আছে। ক্রমাগত ঋদ্ধ হওয়ার ইচ্ছেটাকে আমি বড্ড ভালোবাসি।

ইরফান খান >> তাঁর অভিনয়-জীবন নিয়ে বাংলা ভাষায় তৈরি এই ছোট্ট ভিডিওটা দেখুন :

https://www.facebook.com/108342037440083/videos/584577338829123/?modal=admin_todo_tour