কামরুল হাসান অনূদিত >> আরও একটি দিনের জন্যে >> মিচ আলবম >> ধারাবাহিক উপন্যাস (পর্ব ৪)

0
142

পর্ব ৪

গল্পটি এরূপ যে, মায়ের সাথে বাবার দেখা হয়েছিল পেপারভিল লেকে ১৯৪৪ সালের বসন্তে। মা জলে সাঁতার কাটছিলেন আর বাবা তার এক বন্ধুর সাথে উপরে বেসবল খেলছিলেন। তার বন্ধু বলটি এত উঁচুতে মারে যে সেটি গিয়ে জলে পড়ে। মা বলটি উদ্ধার করতে সাঁতার দেন। বাবাও জলে ঝাঁপিয়ে পড়েন। বাবা যখন বল হাতে পানির উপরে ভাসলেন, তাদের দুজনের মাথা পরস্পরের সাথে ঠুকে গেল।
“সেই থেকে আমরা কখনো ঠোকাঠুকি বন্ধ করিনি,” মা বলতেন।
তাদের প্রাকবিবাহ রোমান্স ছিল গভীর ও দ্রুতলয়ের, কারণ আমার বাবা ওইরূপ ছিলেন, যা কিছু তিনি ধরতেন সেটা সমাপ্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করতেন। তিনি ছিলেন একজন দীর্ঘকায় বলশালী দেহের যুবক, হাই স্কুল থেকে সদ্য পাশ করে বেরিয়েছেন, চুল উঁচু করে আঁচড়াতেন আর তাঁর বাবার নীল-সাদা লাসালে গাড়ি ড্রাইভ করতেন। যত দ্রুত সম্ভব তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নাম লেখান আর আমার মাকে বলতেন তার ইচ্ছা, “আমাদের শহরের যে কারও চাইতে বেশি শত্রু হত্যা করা।” তাকে জাহাজে চড়িয়ে ইতালির উত্তর এপেনাইন পর্বতমালার কাছে বোলগনা শহর সন্নিহিত পো উপত্যকায় পাঠানো হয়। ১৯৪৫ সালে সেখান থেকে পাঠানো এক চিঠিতে তিনি আমার মাকে বিবাহের প্রস্তাব পাঠান।” আমার স্ত্রী হও,” তিনি লিখেছিলেন, যা এখন আমার কাছে অনেকটা নির্দেশের মতো মনে হয়। প্রত্যুত্তরে মা সম্মতি দিলেন, তিনি ফিরতি চিঠিটি লিখলেন একটি বিশেষ ধরনির লিনেন কাপড়ের মনোহারি দ্রব্যের উপর, যা সে-সময়ে তার সামর্থ্যে তুলনায় বেশ দামী ছিল, কিন্তু যে-কোনো উপায়ে হোক মা তা কিনেছিলেন, কেননা তিনি বার্তা ও বার্তা বহনকারীর মাধ্যম – দুইয়ের প্রতিই ছিলেন শ্রদ্ধাশীল।
আমার বাবা মায়ের চিঠি পাবার দু’সপ্তাহের ভিতর জার্মানরা আত্মসমর্পণ করে। তিনি তখন বাড়ি ফিরে আসার উদ্যোগ নেন।
আমার তত্ত্ব হলো শত্রু নিধনের জন্য পর্যাপ্ত যুদ্ধের দেখা তিনি পাননি। সেই যুদ্ধটা তিনি আমাদের সাথে চালিয়ে গেলেন।
আমার বাবার নাম ছিল লিউনার্ড, কিন্তু সবাই কাকে লেন নামে ডাকত, আর আমার মায়ের নাম পলিন, কিস্তু সবাই তাকে “পোজি”বলে ডাকত, অনেকটা নার্সারি রাইমের মতো, “পকেটভর্তি পোজি।”মায়ের ছিল বাদাম আকৃতির বড়ো বড়ো চোখ, ঘনকালো, উচ্ছ্বল চুলরাশি – যা তিনি প্রায়শই সুন্দর করে বেঁধে রাখতেন, আর তার ছিল নরম মাখনের রঙের অবয়ব। তাকে দেখলে শহরের লোকদের অভিনেত্রী অড্রে হেপবার্নের কথা মনে পড়তো, আর আমাদের ছোট্ট শহরে খুব বেশি নারী ছিলেন না যারা ওই বর্ণনার সাথে মিলতেন। মা মেকআপ করতে পছন্দ করতেন – মাসকারা, আইলাইনার, রুজ – যা যা বলবেন – আর যখন বেশিরভাগ মানুষেরা তাকে মজার বা দাম্ভিক, পরবর্তীকালে আত্মকেন্দ্রিক বা একরোখা ভাবতেন, আমার শৈশবের বেশিরভাগটা জুড়ে আমার কাছে মাকে মনে হয়েছে তিনি খুঁত ধরতে ভালোবাসেন।
আমি কি আমার রাবার বুট পরেছিলাম? আমি কি গায়ে জ্যাকেট চাপিয়েছিলাম? আমি কি স্কুলের হোমওয়ার্ক শেষ করেছি? আমার প্যান্ট কী করে ছিঁড়ল?
মা সবসময় আমার বলা বাক্যের ব্যাকরণ ঠিক করে দিতেন।
“আমি ও রবার্টা যাচ্ছিলাম,” আমি হয়তো বলতে শুরু করতাম।
“রবার্টা ও আমি,” মা শুধরে দিতেন।
“আমি ও জিমি চাই –”
“জিমি এবং আমি,” মা বলতেন।
শিশুদের মনের কোঠায় মা-বাবার একটি বিশেষ ভঙ্গি জাগ্রত থাকে আর আমার মনে আমার মায়ের বিশেষ ভঙ্গিটি হলো মা আমার দিকে ঝুঁকে এসে, একটি আঙুল উঁচিয়ে আমাকে বলছেন আমি যা ছিলাম তার চেয়ে আরো ভালো হয়ে উঠতে। আর বাবার ভঙ্গিটি ছিল একজন ভাবুক মানুষ, দেয়ালে তার কাঁধ ঠেকানো, হাতে একটি সিগারেট, আমাকে দেখছেন হয় ডুব দিচ্ছি বা সাঁতার কাটছি।
এখন পেছন ফিরে তাকালে মনে হয়, একজন আমার দিকে ঝুঁকে আসছিলেন, আর একজন আমার দিক থেকে দূরে সরে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সে-সময়ে আমি ছিলাম একটি শিশু, আর শিশুরা কতটুকুই বা বোঝে?
আমার মা ছিলেন একজন ফরাশি প্রোটেস্ট্যান্ট আর আমার বাবা ছিলেন একজন ইতালীয় ক্যাথলিক, তাদের যৌথজীবন ছিল ঈশ্বর, অপরাধ বোধ এবং আচার নিয়ে বাড়াবাড়ি। তারা সবসময় তর্ক করতেন। বাচ্চাদের নিয়ে তর্ক। খাবার নিয়ে তর্ক। ধর্ম নিয়ে তর্ক। বাথরুমের বাইরের দেয়ালে বাবা যিশুর একটি ছবি টাঙাতেন, আর তিনি যখন বাইরে কাজে থাকতেন, মা সেটাকে অন্য কোথাও সরিয়ে রাখত। বাবা বাড়ি এসে চীৎকার করতেন, “ঈশ্বরের দোহাই তুমি যিশুকে সরাতে পারো না।” মা তখন বলতেন, “লেন, এটা একটি ছবি মাত্র। তুমি কি মনে করো ঈশ্বর নিজেকে বাথরুমের দেয়ালে ঝুলন্ত দেখতে পছন্দ করবেন?”
বাবা ছবিটিকে পুনরায় বাথরুমের বাইরের দেয়ালে এনে ঝুলাতেন।
আর পরের দিনই মা সেটাকে সরিয়ে রাখত।
আর এভাবেই চলতে থাকত, বাবা টাঙাচ্ছেন, মা সরাচ্ছেন।
আমার বেড়ে ওঠার পেছনে মা-বাবার পারিবারিক পরিপ্রেক্ষিত ও সংস্কৃতির একটি মিশেল ঘটেছিল, কিন্তু আমাদের পরিবারটিকে যদি এ্কটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার সাথে তুলনা করা হয় তবে বলতেই হবে বাবার ছিল দুইটি ভোট। তিনিই ঠিক করতেন আমরা ডিনারে কী খাব, বাড়ির দেয়ালে কোন রঙের পেইন্ট লাগানো হবে, কোন ব্যাংকে আমাদের টাকা রাখা উচিৎ, আমাদের জেনিথ কসসোল সাদা-কালা টিভিতে আমরা কোন চ্যানেল দেখব। আমি যেদিন জন্মগ্রহণ করলাম বাবা নাকি বলেছিলেন, “শিশুটি ক্যাথলিক চার্চে ব্যাপ্টাইজড হবে,” আর সেটাই ছিল চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
মজার ব্যাপার হলো, আমার বাবা নিজে তেমন ধর্মকর্ম করতেন না। যুদ্ধের পর, আমার বাবা, যার একটি মদের দোকান ছিল, ধর্মীয় বাণী প্রচারের চেয়ে বেশি আগ্রহী ছিলেন ব্যবসায়িক মুনাফায়। আর সেই আগ্রহ যখন আমার দিকে ঘুরল, আমার একটিই ধ্যানজ্ঞান হবে, তা হলো – বেসবল। আমি হাঁটতে শেখার আগেই তিনি আমার দিকে বল ছুঁড়ে মারতেন। মা আমাকে দাড়ি-গোঁফ কাটার জন্য গালে ছুরি লাগাবার আগেই বাবা আমাকে একটি ব্যাট কিনে দিয়েছিলেন। বাবা বলতেন, একদিন আমি মেজর লীগে খেলতে পারবো, যদি আমার সঠিক “পরিকল্পনা” থাকে, আর আমি যদি “সেই পরিকল্পনার পিছনে লেগে থাকি।”
অবশ্যই আপনি যখন তরুণ বয়সে থাকেন, আপনি তখন আপনার মা-বাবার পরিকল্পনার উপর নির্ভর করেন, নিজের কোনো পরিকল্পনা থাকে না।
আর সে কারণেই আমি যখন সাত বছরের বালক, আমি সংবাদপত্রের পাতায় আমার ভবিষ্যৎ চাকরি দাতাদের খেলার স্কোরে চোখ বুলাতাম। বাবার মদের দোকানে আমি একটি গ্লাভস্ রেখে দিয়েছিলাম যাতে তিনি কয়েক মিনিটের ফুরসৎ পেলে পার্কিং লটে আমার সাথে বেসবল খেলতে পারেন। আমি এমনকি প্রতি রোববার গির্জার প্রার্থনায় লোহার স্পাইক লাগানো জুতা পরে যেতাম, কারণ শেষ শ্লোকটি পাঠের পরপরই আমরা আমেরিকান লিজন খেলা দেখতে ছুটতাম। তারা যখন বলে যে গির্জা হলো ঈশ্বরের ঘর, আমি এটা ভেবে উদ্বিগ্ন থাকতাম যে ঈশ্বর নিশ্চয়ই আমার জুতোর কাঁটা দিয়ে তার ঘরের মেঝে ফুটো করা পছন্দ করবেন না। আমি একবার আমার আঙুলের উপর ভর দিয়ে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছিলাম, আমার বাবা বলেছিলেন, “এটা কী করছো তুমি? আমি তখন সঙ্গে সঙ্গে পা নামিয়ে নিয়েছিলাম।
— — —
অন্যদিকে আমার মা বেসবল নিয়ে মোটেই আগ্রহী ছিলেন না। মা ছিলেন তার মা-বাবার একমাত্র সন্তান, তারা বেশ দরিদ্র ছিলেন, আর যুদ্ধের সময় অভাবের কারণেই মাকে স্কুল ছেড়ে কাজ যোগ দিতে হয়েছিল। রাত্রিকালীন পড়াশোনা করে তিনি হাই স্কুল ডিপ্লোমা অর্জন করেন, এরপরে ভর্তি হন নার্সিং স্কুলে। আমার জন্য মায়ের স্বপ্নে ছিল কেবল বই আর কলেজ, কেবল জ্ঞানার্জনের খুলে যাওয়া দরোজা। বেসবল সম্পর্কে তার প্রশংসার সেরা উক্তিটি ছিল, “এটা অবশ্য তোমাকে নির্মল বায়ু সেবনের সুযোগ করে দেয়।”
মা কিন্তু একদিন সত্যি খেলা দেখতে এলেন। এসে দর্শকসারিতে বসলেন, তার চোখে বড়ো সানগ্লাস, স্থানীয় বিউটি র্পালারের সৌজন্যে কেশ সুবিন্যস্ত ও পরিপাটি। মাঝে মাঝে ডাগআউটের ভিতর থেকে আমি মায়ের দিকে তাকিয়ে থাকতাম, আর দেখতাম মা তাকিয়ে আছেন দিগন্তের পানে। কিন্তু আমি যখন ব্যাট করতে এলাম, মা হাততালি দিয়ে উঠলেন আর চীৎকার করে বল্লেন, “হ্যাঁ, চার্লি!” আর আমার মনে হয় আমি সেটাই চাচ্ছিলাম। আমার বাবা, যে-সকল দলে আমি বেসবল খেলেছি, মায়ের সাথে ছাড়াছাড়ি হওয়ার আগ পর্যন্ত, তার প্রতিটি দলের কোচ ছিলেন, একদিন যখন দেখলেন আমি খেলা রেখে মায়ের দিকে তাকিয়ে আছি, তখন গর্জে উঠলেন, “বলের উপর চোখ রাখো, চিক! উপরে এমন কিছুই নেই যে তা তোমার কোনো কাজে লাগবে।”
মা, আমি অনুমান করি, বাবার “পরিকল্পনার” অংশ ছিলেন না।
তবু আমি বলতে পারি, ছেলে সন্তানেরা তাদের মায়েদের যেমন ভালোবাসে আমিও তেমনি আমার মাকে ভালোবাসতাম, ছেলেরা যেমন ভাবে ‘মা তো আছেনই’, তেমনি ভাবতাম। মা এটাকে আরো সহজ করে দিয়েছেলেন। একটা কথা এখানে বলতে পারি, আমার মা ছিলেন আমুদে স্বভাবের। হাসি উদ্রেক করার জন্য তিনি মুখে আইসক্রিম লেপ্টে নিতে দ্বিধা করতেন না। নাবিক পপেয়ার মতো অস্বাভাবিক স্বরে কথা বলতে বা লুই আর্মস্ট্রংয়ের মতো ঘ্যাড়ঘ্যাড়ে গলায়, “তুমি যদি এটা কিশোরকাল না পাও, তবে কিশোরকাল তোমাকে উড়িয়ে নিতে পারবে না।” মা আমাকে গায়ে সুড়সুড়ি দিতেন আর তাকে সুড়সুড়ি দিলে কিছু বলতেন না, কনুই চেপে রেখে হাসতেন। প্রতিরাতে মা আমার মাথায় তাপ্পি মারতেন, মাথার চুল ঘষে দিতেন আর বলতেন, “তোমার মাকে একটি চুমু দাও।” মা আমাকে বলতেন যে আমি একজন স্মার্ট ছলে আর স্মার্ট হওয়ার অনেক সুবিধা, আর চাইতেন আমি যেন প্রতি সপ্তাহে একটি করে বই পড়ি, আর সেটা নিশ্চিত করতে আমাকে লাইব্রেরিতে নিয়ে যেতেন। কখনো কখনো মা খুব জাঁকজমকপূর্ণ সাজগোজ করতেন, আমাদের গানের সাথে গলা মিলিয়ে গান গাইতেন, যা আমাকে বেশ বিব্রত করত। কিন্তু কখনো, এমনকি এক মুহূর্তের জন্যও আমাদের ভিতর আস্থার অভাব ঘটেনি।
মা আমাকে যা বলতেন আমি তাই বিশ্বাস করতাম।
আমাকে ভুল বুঝবেন না, আমার প্রতি তিনি কিন্তু নরম ছিলেন না। মা আমাকে পিটুনি দিতেন। তিনি আমাকে বকতেন। আমাকে শাস্তি দিতেন। কিন্তু তিনি আমাকে ভালোবাসতেন। তিনি সত্যিই খুব গভীর ভালোবাসতেন আমাকে। আমি যখন দোলনা থেকে পড়ে যেতাম তখন ভালোবাসতেন। নোংরা জুতো পায়ে মায়ের ঘরের মেঝেতে হাঁটলেও ভালোবাসতেন। আমি যখন অসুস্থ হয়ে বমি করতাম বা জখমি হাঁটু নিয়ে বাড়ি ফিরতাম, তখনো ভালোবাসতেন। আমার আসা-যাওয়ার ভেতর, আমার সবচেয়ে ভালো অবস্থা ও সবচেয়ে মন্দ অবস্থায় ভালোবাসতেন। আমার জন্য তার হৃদয়ে এক সমুদ্র ভালোবাসা ছিল।
তার একমাত্র ভুল ছিল, তিনি আমাকে এই ভালোবাসার কোনো প্রতিদান দিতে দেননি।
দেখুন, আমার থিওরি হলো, বাচ্চারা সেই ভালোবাসার পেছনে দৌঁড়ায় যা তাদের মরীচিকার মতো টানে, আমার ক্ষেত্রে তা ছিল আমার বাবার প্রতি ভালোবাসা। ব্রিফকেসে রাখা কাগজপত্রের মতো বাবা সেটা ভাঁজ করে রেখেছিলেন। আর আমি ক্রমাগত চেষ্টা করে গেছি সেখানে পৌঁছাতে।
মায়ের মৃত্যুর কয়েক বছর পরে আমি একটি তালিকা করলাম সেইসব সময় যখন মা আমার পক্ষ নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন আর সেইসব সময় যখন আমি মায়ের পক্ষ নিয়ে দাঁড়াইনি। এটা অতীব দুঃখের যে দুটি তালিকার মধ্যে কোনো ভারসাম্যই ছিল না। কেন বাচ্চারা মা-বাবার একজনের প্রতি এতটা উচ্চধারণা পোষণ করে আর অপরজনকে অনেকটা নিচুতে, স্বল্প মানদণ্ডে রেখে দেয়, কে জানে?
হতে পারে, আমার বাবা যেমনটা বলেছিলেন : তুমি হয় মায়ের ছেলে হবে, কিংবা বাবার ছেলে, কিন্তু একসঙ্গে দুটো হতে পারবে না। তাই আপনি তার সাথেই লেপ্টে থাকেন যাকে আপনার হারাবার ভয় বেশি।

(চলবে)

পূর্ববর্তী পর্বের (৩) লিংক

http://www.teerandaz.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%86%e0%a6%b0%e0%a6%93-%e0%a6%8f-2/

পরবর্তী পর্বের (৫) লিংক আসছে