কিযী তাহনিন > বিলম্বি টান >> ছোটগল্প >>> উৎসব সংখ্যা ২০২০

0
535

বিলম্বি টান >> ছোটগল্প

“টিয়া পাখির রং সবুজ কেন জানিস?”
মা আমাকে প্রশ্ন করতো। এইটা জেনেও প্রশ্ন করতো যে আমি উত্তরে কি বলব।
প্রতিবার প্রশ্ন করতো, প্রতিবার আমি বলতাম, “কেন?”
মা আমাকে প্রতিবার বলতো দেখ, “ওই যে গাছটা।”
বিলম্বি গাছ। বাড়ির পেছন দিকের বাগানে মহাসমারোহে বিরাজমান। মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। গাছের কাণ্ডজুড়ে বসে আছে টিয়া পাখি। যেন সভায় বসেছে। আমি একতলার বারান্দার রেলিঙে মুখ রেখে গাছ দেখতাম।
মা বলতো, “এই যে দেখ, এই গাছের ফল খেয়ে খেয়ে মনে হয় পাখি এমন সবুজ।”
প্রতিবার মায়ের কথার ধরন শুনে মনে হয়, এমন করে মায়ের ভাবতে ভালো লাগে। কিন্তু মা নিশ্চিত না – কেন টিয়া পাখি এতো সবুজ।
এবং আমার কিংবা মায়ের নিশ্চিত হওয়ার প্রয়োজন বোধ হয় না। কিন্তু চৈত্রের দুপুরে, ভাত খেয়ে আমি আর মা যখন পাটি পেতে বারান্দায় বসে থাকতাম, কিংবা কালবৈশাখী ঝড়ের আগখান দিয়ে ধুলো-ধুলো সময়ে, আমি মা যখন দৌড় দিয়ে বারান্দা থেকে শুকনো কাপড় টেনেটেনে ঘরে আনতাম, টিয়া পাখির ঘরে ফেরা ডাক , মা বলতো, “বলতো টিয়া পাখি কেন এতো সবুজ?”
আমার ধারণা, মায়ের আসলে খুব টিয়া পাখি হতে ইচ্ছে করে। আমারও।
আমাদের সরকারি কলোনি, গ্রিনরোড আর ধানমন্ডির সাতের কোণায়। সাতটা ছিমছাম দালান, প্রতিটি পাঁচতলা। খয়েরি-সাদা দালান। প্রতিটি দালানের আছে সুন্দর একটা নাম আর সামনে-পিছে একটুকরো করে বাগান।
আমাদের দালানের নাম কোণার্ক। ভারতের পুরীর কোণার্ক সূর্য মন্দিরের নামে নাম। এমন কাব্যিক নাম এই সরকারি কলোনির দালানগুলোর কে রেখেছে কে জানে? আমাদের চারপাশের দালানগুলোও নিজ নামে কেমন ঝলমলে – ঊষা, বলাকা, প্রভাতী, গোধূলি। কোণার্কের একতলায় আমরা থাকি। একতলায় থাকার সুবাদে, এক অলিখিত চলতে থাকা নিয়ম অনুযায়ী, বাগান আমাদের। আমাদের পাশের বাসায় থাকে ঝর্ণা। ওদের দিকের বাগান আর আমাদের দিকের বাগান, বেড়া দিয়ে আলাদা। আমাদের বাগানে শীতকালে টমেটো, ফুলকপি হলে, মা একটা কুলোয় করে, নিকট প্রতিবেশীদের বাড়ি পাঠায়।
আর সারাবছর ধরে কেমন জেগে থাকে, বিলম্বি গাছ। এ-গাছ আমরা লাগাইনি। যতদিন ধরে আমরা আছি, বিলম্বি গাছ তার চেয়েও বেশি সময়ে ধরে এ-কলোনিতে আছে। পুরো কলোনি ভরা বিলম্বি গাছ. আমাদের পেছনের বাগানে, ঝর্ণাদের বাগানে। উষা, প্রভাতী, বলাকা সব দালানের বাগানে আছে বিলম্বি গাছ। কে লাগিয়েছে কে জানে? আমরা এই বাসার তিন নম্বর বাসিন্দা। প্রথম বাসিন্দা কে ছিল আমি জানি না। দ্বিতীয়তে যারা ছিল, তাদের সাথে আমার দেখা হয়েছে।
দ্বিতীয়তে যিনি ছিলেন, তিনি বাবার অফিসের সহকর্মী। উনি অবসরে যাবেন। বাসা ছেড়ে দিতে হবে। খিলগাঁওতে ওনাদের পৈতৃক বাড়ি আছে। ওখানে যেয়ে ওনারা আপাতত উঠবেন। যখন খবর পেলাম, বাবার নামে এই বাসটি বরাদ্দ হচ্ছে, তখন আমরা একদিন এই বাসাটা দেখতে আসলাম। আমরা মানে, আমি, বাবা, মা আর আমার বড় বোন, যাকে আমি আপি বলে ডাকি। তখনও এই বাসাটায় বাবার সহকর্মী বাস করছেন।
আমাদের চারজনের চোখ তখন ঝলমল, কী আনন্দ, কী সুন্দর বাসা। বাগান। এই বাসাটা আমাদের হবে। আমরা আগে কখনো এতো সুন্দর বাসায় থাকিনি। কিন্তু যাদের বাসায় আসলাম, তাদের আপ্যায়নের কোনো ত্রুটি না থাকলেও, তাদের চোখভরা বিষাদ, এটা বুঝতে খুব বেশি বয়েস হতে হয় না। জ্ঞানীও না।
আমি বেশ বুঝতে পেরেছিলাম। আমাদের ঝলমলে চোখের বিপরীতে ওদের টলটলে বিষাদাক্রান্ত চোখ, কী অদ্ভুত সাদা-কালোর সংমিশ্রণ। আমরা ঘুরে ঘুরে এ-ঘর ও-ঘর দেখছিলাম। বাগান দেখে মা উচ্ছ্বসিত, একটা বকুল গাছ লাগানো যাবে। মায়ের এ-উচ্ছাস ভীষণ সৎ আর মৌলিক ছিল। কিন্তু আমি বুঝেছিলাম, এ-বাড়ির বাসিন্দাদের কাছে এই উচ্চ্বাস বড্ড বেসুরো ছিল। এ বাড়ির বাসিন্দারা পরখ করছিলো, নীরবে আমাদের। তাদের ছেড়ে যাওয়া মায়ার ঝুল, ময়লা, দাগ ঠিক হাতে দিয়ে যাচ্ছে তো? তাদের ছেড়ে যাওয়ার পালা, আর আমাদের গুছিয়ে নেয়ার।
সবচেয়ে বেশি বিষাদে ছিল, বাড়ির ছেলেটি। আমার চেয়ে বয়সে একটু বড়। যতবার চোখ পরে, চোখ নামিয়ে নেয়। আর আমরা যখন বাইরে যেয়ে বাগান দেখছি, ঘরের ভেতর দিয়ে গ্রিল ধরে সে যেন কোথায় তাকিয়ে ছিল। সামনের দিকে, কিন্তু আমাদের দিকে নয়। এই যে আমি এতক্ষণ ধরে তার দিকে তাকিয়ে ছিলাম, তার টলটলে চোখে ধরা পড়েনি। ছেড়ে যাওয়ার সুর তার চোখে, ঠোঁটে, ফুলে ফুলে ওঠা অভিমানী নাকে।
আমি যখন এমন করে বিলম্বি গাছ, আর তাকে ঘিরে টিয়া পাখিদের এই ঘোর জাগানো গুনগুন গুনগুন শুনি, তখন আমার ওই ছেলেটির কথা খুব মনে হয়। গ্রিল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা, ফুলে ফুলে ওঠা অভিমানী নাকের সেই মানুষ। যার সাথে আমার কখনো কথা হয়নি।
আর আমি যখন বিকেলের বারান্দায়, গ্রিলের ওপাশের বিলম্বি গাছকে সামনে রেখে এমন সব পুরনো ভাবনা ভাবি, অভিমানী নাকের সেই মানুষটির কথা ভাবি, তখন বিলম্বি গাছের পিছে সরু নালার পাশে আরেকজন আসন পেতে থাকে, হলুদ আর লাল ছোপ দেয়া এক ফিতা সাপ।
বাবা একদিন বারান্দায় রোদ পোহাচ্ছে। আমি বাবাকে চা দিতে আসলাম। বাবা বলে, “দেখ তো তোর চুলের ফিতা না, এই নালার মধ্যে ফেললো? নিশ্চয়ই ময়নার মায়ের কাজ।”
আমি ফিতাই ভাবলাম। বাবাও। আর তক্ষুনি ফিতা, মানে ফিতার মতন দেখতে জিনিসটি নড়ে উঠল। আমরা বুঝলাম জিনিস নয়, প্রাণ। ঠিক আমার চুলের হলুদ ফিতার মতন এক ফিতা সাপ। চিকন, মসৃণ, ছোট, প্রাণময়।
বাবা বললো, “এহ্হে সাপ, এটাকে মেরে ফেলতে হবে।”
কিন্তু ঐদিন আর সাপটাকে মারা হলো না। হয়তো বিষধর, কুৎসিত নয় বলে, ওই মুহূর্তে মারার তাগিদ ছিল না। এই কলোনিতে দুই-একটা সাপ আছে বৈকি। ঝামেলাহীন, নির্বিকার। তাই হয়তো বেঁচে আছে এ-কলোনির সবাই। কেউ মরেনি, না সাপ, না মানুষ।
সেই ফিতা সাপকে দেখতে দেখতে, মাঝে মাঝে না দেখতে দেখতে, তার কথা আলাদা করে মনে থাকে না। কিন্তু বিলম্বি গাছ থেকে একদিন এক টিয়া পাখি হুট করে ঢুকে যায় বারান্দায়। বারান্দার কোণে বসে থাকে। আমরা প্রথম ভাবলাম একটু পর উড়ে যাবে। এমন টিয়া পাখিদের জমাটি মেলা যে গাছকে ঘিরে, সে-গাছের আসেপাশে থাকা মানুষদের, বিশেষ একটি টিয়া পাখির প্রতি আকর্ষণ জন্মানোর কথা নয়। আমাদের বাড়ির মানুষদেরও জন্মাতো না, যদি না, পরদিন সকালে উঠে দেখি, টিয়া পাখিটা বারান্দার কোণ ছেড়ে যায়নি। সপ্রতিভ, এবং সহজাত ভঙ্গিতে বিরাজমান, যেন এইখানেই ওর থাকবার কথা।
আমার আপি, বড় বোন, বুদ্ধি করে বাগান থেকে একটা বিলম্বি ফল এনে সামনে রাখল। পাখি বিলম্বি ফল খেল। কিন্ত বিলম্বি গাছে আর ফিরে গেলো না। অতঃপর, আমাদের পুরোনো একটা খাঁচা ধুলো ঝেড়ে টিয়া পাখির বাসা তৈরি হল। কী কারণে স্বাধীন জীবন ফেলে এই খাঁচার গৃহস্থালি জীবন বেছে নিল টিয়া পাখি, কে জানে। হয়তো এই খাঁচার জীবন বেছে নেয়ার সিদ্ধান্তই তার স্বাধীনতা। সুখী টিয়া পাখির পায়ে, একটা চিকন লাল সুতা জড়িয়ে দিয়েছিল মা। যেন হারিয়ে গেলে চিনতে পারি।
প্রতিদিন সকালে মা তাকে বুলি শেখাতো, “খোদা রুজি দাও।”
পায়ে লাল সুতা বাঁধা পাখি, “খোদা রুজি দাও” সুর শিখে গেলো দিনে দিনে। বিলম্বি ফলের স্বাদে অভ্যস্ত পাখির রুচিতে এখন যোগ হয়েছে ছোলা , মরিচ। আজকাল খাঁচার দরজা খোলা থাকে। পাখি, দিনের বেলা বিলম্বি গাছে ঘুরে ঘুরে সুর তোলে “খোদা রুজি দাও।” আর ঠিক তখন যদি তীক্ষ্ণ মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করা যায়, তো দেখা যায়, বিলম্বি গাছের নিচের সেই সরু নালায় শুয়ে আছে হলুদ-লাল ফিতা সাপ। দিনশেষে খাঁচায় নিজের ইচ্ছায় এসে ধরা দেয় টিয়া পাখি। স্বেচ্ছায় অন্তরীণ জীবন বেছে নেয়া পাখি, সারাদিন আকাশ খোঁজার পর, দিনশেষে খাঁচায় ফেরে। আর আমরা পায়ের লাল সুতা দেখে বুঝে যাই, ঠিক পাখি ঠিক ঘরে ফিরেছে।
এমন করেই চলতো হয়তো যদি না বাবার বেকায়দা ধরনের হাঁচি এমন অসময়ে না আসতো। সেই হাঁচিতে চমকে উঠে আপির হাত থেকে পরে গেলো কাঁচের গ্লাস। সেই ঝনঝন শব্দে, একটা কাঁচের গ্লাস ভাঙলো বটে, আর ভেঙে গেল আমাদের পরিবারের সাথে সেই লাল সুতা বাঁধা টিয়া পাখির ঘর-সংসার খেলা। গ্লাস ভেঙে যাওয়ার ঝনঝন শব্দে, সেই যে উড়ে গেল, ফিরে আসলো না পাখিটা সেদিন সন্ধ্যায়, আর কোনো সন্ধ্যায়।
কলোনির আকাশ কাঁপিয়ে, এখনো সুর তোলে টিয়া পাখি “খোদা রুজি দাও”, “খোদা রুজি দাও।” রুজি খুঁজে নিলো আবার বিলম্বি ফলে। পাখি ফিরে গেল তার বিলম্বি জীবনে। কিন্তু একবার ঘরের সুখ পেলে, ঝড়-ঝাপটার জীবন আর কার ভালো লাগে। কলোনির শেষ দালানটির নাম – উষা। সেখানের একতলার বারান্দায়, শিহাব ভাইদের বাসায় এখন লাল সুতার টিয়া পাখির বাস। বারান্দায় বসে সুর তোলে, “খোদা রুজি দাও”, “খোদা রুজি দাও।” আমার চোখ ভিজে যায়। এমন করে কেউ ঘর পাল্টায়? আমি যেয়ে শিহাব ভাইকে জানাই,
“এইটা আমার টিয়া পাখি।”
-“তোমার টিয়া পাখি, নাম লেখা আছে? এই কলোনিতে একটাই টিয়া পাখি?”
“এই যে গান গায়, এইটা আমার টিয়া পাখি।”
-“বাহ শুধু তোমার টিয়া পাখি গান গায়? আর কোন টিয়া পাখি গান গায় না?”
আমি যুক্তির মারপ্যাঁচে হেরে যাই। আমার টিয়া পাখি ফেরত পাই না। টিয়া পাখি আমার দিকে ফিরেও তাকায় না। আর ফেরার পথে দেখি সেই হলুদ-লাল ফিতা সাপ, এই দালানের সামনের বিলম্বি গাছের কোণায় শুয়ে আছে। রোদ লেগে তার হলুদ গা সোনার মতন চকচক করছে। বুঝলাম, সেও বাসা পাল্টেছে।
আমি ফিরে এসে কাঁদি। খুব কাঁদি। আপি বলে, “চল আমরা আরেকবার যাই, চেয়ে নিয়ে আসি টিয়া পাখিটা।”
বাবা বলে, “খামাখা প্রতিবেশীদের সাথে ঝামেলা করে কী লাভ, বাদ দে।”
মা বলে, “এই পাখি অপয়া, সারাদিন রুজির জন্য হাহাকার করে। ভয় লাগে। আনিস না ওকে আর ঘরে।”
মা কেমন করে এমন কথা বললো? মায়ের চোখের দিকে তাকাই। তাকিয়ে বুঝি, মা আগের মতনই আছে। আরাম লাগে। মায়ের চোখে অভিমান। আমার চোখে কষ্ট, অভিমান নেই। আমি বুঝতে পারি, মায়ের এখনও টিয়া পাখি হতে ইচ্ছে করে। আমারও খুব ইচ্ছে করে।
আমরা আমাদের লাল সুতা বাঁধা পাখির জন্য একবুক হুঁ হুঁ বেসুর নিয়ে চাল-ডাল দিনের জীবনেই থেকে গেলাম। এর মাঝে আমার আপির বিয়ে ঠিক হল। অনেকদিন ধরেই কথা হচ্ছিল। এবার পাকাপাকি। আমার চেয়ে ১২ বছরের বড় বোন, আমার চেয়ে বয়সে অনেক দূরের, কিন্তু ভাবনায় একদম কাছের। একটুও ফাঁক নেই। আমাদের দুইজনের চোখ একদম একরকম। ওর চোখের দিকে তাকালে, আমি বুঝতে পারি, আমি বড় হলে কেমন হবো দেখতে, কেমন করে ভাববো। এই যে ওর সামনে বিয়ে, ওর পছন্দের মানুষের সাথেই বিয়ে, অনেক ঝড় পরিবারের বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বিয়ে, কিন্তু আপি কেমন নির্লিপ্ত। এখনো মন দিয়ে বই পড়ে, এখনো চুপচাপ মায়ের সাথে বসে সবজি কেটে দেয়, এখনো রাতে আমার চুলে বিলি কাটে। আমি ওকে দেখে বুঝি, আমি ওর মতন বয়সে, ঠিক এমনই হতে চাই।
আপির কাল বিয়ে। আপির বিয়ের পর আমি কি একা হয়ে যাবো? আমি জানিনা একা থাকা কাকে বলে। আমার এই তের বছরের জীবনে, একা থাকার প্রয়োজন পড়েনি। এই ঘন দুপুরে আমাকে কারুর প্রয়োজন নেই। সবাই উৎসবের আয়োজনে ব্যস্ত। আমার কোনো কাজ নেই। এই যে আমাকে এখন কারো প্রয়োজন নেই, এমনটা মনে হওয়াকেই বুঝি এক থাকা বলে? সেই ছেলেটির মতন, যে গ্রিল ধরে অভিমানী নাক গ্রিলে আটকে দাঁড়িয়ে থাকতো? ছেলেটির কথা অনেকদিন বাদে আমার মনে পড়ে।
আর এমন মনে পড়ার মুহূর্তে তাকিয়ে দেখি, বিলম্বি গাছের ধারে যে নালা, সেখানে ফিরে এসেছে সেই হলুদ-লাল ফিতা সাপ। কতদিন পর। কলোনির শেষ কোণ থেকে এসে এখানে আবার। এই বিলম্বি গাছের নিচে। আগে যেমন করে থাকতো, ঠিক তেমন।
এমন ঘন দুপুরের সূত্র যদি ঠিকঠাক মিলে যায় তো, আর একটু পরই, লাল ফিতা বাঁধা টিয়া পাখিরও এই বিলম্বি গাছের কাছে আবার ফিরে আসার কথা।

কিযী তাহনিন


প্রধানত ছোটগল্পকার। জন্ম ঢাকায়। পড়াশোনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং অস্ট্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটিতে। একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত তাঁর লেখা ছোটগল্প, কবিতা প্রকাশিত হচ্ছে। প্রকাশিত ছোটগল্পের বই দুটি : ইচ্ছের মানচিত্র (পাঠক সমাবেশ) এবং আছে এবং নাই (পাঠক সমাবেশ)।