গৌতম গুহ রায় > চলে গেলেন নাট্যকার-অভিনেতা গিরিশ কারনাড >> স্মরণ

0
463

হারিয়ে গেল প্রতিবাদের ঋজু আলোকস্তম্ভটা

“খুনীদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়রি থেকে জানা যায় এদের খতম তালিকায় সবার আগে ছিল গিরিশ কারনাডের নাম। দেশের হিন্দুত্ববাদী শাসকেরা যখন প্রতিবাদী বামপন্থী বুদ্ধিজীবীদের ‘আরবান নকশাল’ বলে উল্লেখ করে এবং তাদের কারারুদ্ধ করতে থাকে, সেই সময় নাকে অক্সিজেনের নল ও পোর্টেবল অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়েও রাস্তায় নামেন প্রতিবাদের উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব গিরিশ কারনাড।”

টিপু সুলতানের ২৬৫তম জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে তিনি প্রস্তাব দিয়েছিলেন ব্যাঙ্গালুরু বিমানবন্দরের নাম টিপু সুলতানের নামে রাখার জন্য। বলেছিলেন. টিপু যদি হিন্দু হতেন তবে তাঁর স্থান শিবাজীর জায়গায় হতো। এর ফলে উগ্র হিন্দুত্ববাদী ধর্মীয় সন্ত্রাসীদের ‘খতম’ তালিকায় সর্বাগ্রে ছিলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে কলকাতায় কথাপ্রসঙ্গে দৃঢ় স্বরে তিনি বলেছিলেন, “উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের আমি ভয় পাই না। জীবন নশ্বর।” শুনিয়েছিলেন বাংলা গানের সেই কলি, ‘ভয় কি মরণে!’ এই অকুতভয় মানুষটি চলে গেলেন চির ঘুমের দেশে।
বার্ধক্যের প্রতিকুলতায় অশক্ত শরীর তাঁর, তীব্র শ্বাস কষ্টে কাবু, অক্সিজেন সিলিন্ডারকে সঙ্গী করেও তিনি প্রতিবাদী মিছিলে হাজির থাকতেন। সাহিত্য, থিয়েটার, সিনেমা, অভিনয়- সবার থেকে স্বতন্ত্র- টানটান ও ঋজু ব্যক্তিত্ব যাঁর  তিনিই গিরিশ রঘুনাথ কারনাড। গত ১০ জুন সকালে ৮১ বছর বয়সে প্রয়াত হলেন তাঁর ব্যাঙ্গালুরুর বাসভবনে। মৃত্যুর কিছুদিন আগেও তাঁকে চিন্তিত করে রেখেছিল দেশের ক্ষমতাশীল শক্তির ধর্মান্ধ আচরণ, রাষ্ট্রীয় পেশীশক্তির আস্ফালন, তাঁর প্রতিবাদ ছিল আসন্ন সমাজিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে, নাগরিকের মুক্তচিন্তার স্বপক্ষে। সত্যের পক্ষে তিনি আজন্ম লড়েছেন, আপসহীন এই লড়াইয়ে তার আয়ুধ ছিল সাহিত্য ও থিয়েটার। বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী কারনাড একাধারে ছিলেন নাট্যকার, সাহিত্যিক, চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক। বিভিন্ন ভাষায় তাঁর লেখা নাটক অনূদিত হয়েছে বাংলাসহ, গোটা দেশে তাঁর নাটক মঞ্চস্থ  হয়েছে। নাট্যকার হিসাবে তাঁর পরিচিতি বেশি হলেও তিনি চাইলে সাহিত্যেও তাঁর আসন স্থায়ী করতে পারতেন। সার্বিক অর্থেই গিরিশ কারনাড ছিলেন বহুমুখী এক বিরল প্রতিভাধর সৃষ্টিশীল মানুষ।
গিরিশ কারনারডের জন্ম মহারাষ্ট্রের মাথেরানে, ১৯৩৮ সালে। জন্ম মহারাষ্ট্রে হলেও শৈশব কাটে  তাঁর কর্নাটকের শির্ষিতে। সেখানে পারিবারিকভাবেই তিনি একধরনের সাংস্কৃতিক পরিবেশে বড় হয়েছেন, চার ভাইয়ের তৃতীয় গিরিশ। স্থানীয় লোকনাট্য ও ঐতিহ্যবাহী পালা ‘যক্ষগণ’-এর  প্রতি আগ্রহী হন সেই সময় থেকেই, যা তাঁর সৃষ্টিশীলতাকে পরবর্তী কালে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল। কিশোর বয়সেই চলে আসেন ধারোয়ায়, ১৯৫২ সালে ভর্তি হন বাসেল মিশন হাই এডুকেশন ইনস্টিটিউটে। সাহিত্যে আগ্রহী হলেও পাঠ নেন অংকে, সেখান থেকেই ১৯৫৮ সালে কর্নাটক বিশ্ববিদ্যালোয় থেকে অংকে স্নাতক হন। আবার ভিন্ন বিষয়ে চলে যান ১৯৬০ সালের দিকে। রোডস স্কলারশিপ নিয়ে চলে যান অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন ও রাজনীতির পাঠ নিতে। সেখানে সক্রিয় থাকেন সাংস্কৃতিক কর্মী হিসেবেও, অক্সফোর্ড ইউনিয়নের সম্পাদকও হন। এরপর আবার ফিরে আসেন নিজের শেকড়ে। ১৯৬২-৬৩ সালে কাজ নেন চেন্নাইয়ের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেসে। এই সময়েই হাত দেন তাঁর প্রথম নাটক রচনায়, তখন তিনি মাত্র ২২ বছরের তরুণ, মহাভারতের কাহিনি অবলম্বনে লেখেন ‘যযাতি’। নাটকটি ইংল্যান্ডেও মঞ্চস্থ হয়েছিল। সি. রাজাগোপালচারিয়ার ‘মহাভারত’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে ‘যযাতি’ চরিত্রটিকে তাঁর প্রথম সাহিত্যকীর্তি প্রদর্শনের নিদর্শন হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। এই কাহিনিটি অবশ্য আমাদের অনেকের জানা।
নহুষের পাঁচ পুত্রের দ্বিতীয় পুত্র যযাতি। প্রথম সন্তান যাতি সন্ন্যাস নিলে যযাতি রাজা হন। দেবগুরু শুক্রাচার্যের মেয়ে দেবযানিকে বিয়ে করেছিলেন যযাতি। তাদের দুই পুত্র, যদু ও তুর্ব্বসু। কিন্তু সেই রাজা যযাতির আকর্ষণ জন্মে রূপসী দৈত্য রাজকন্যা শর্মিষ্ঠার প্রতি। রূপমুগ্ধ যযাতি শর্মিষ্ঠার মিলন হয়, তাদের তিন পুত্র জন্মে, দ্রুহ্যু, অনু, পুরু। দেনযানি এই সংবাদ তার পিতাকে দেন এবং এর বিহিত চান। ক্ষুব্ধ  শুক্রাচার্য এসে রাজা যযাতিকে অভিশাপ দিলেন, যযাতি রূপে জরাজীর্ণ হয়ে গেলেন। কিন্তু তার কাকুতি-মিনতিতে দেবগুরু অভিশাপ থেকে রক্ষার পথও রাখলেন। বললেন, যদি তাদের কোনো সন্তান যযাতির জরা এবং বার্ধক্য গ্রহণে সম্মত হয় এবং তার নিজের যৌবন যযাতিকে দান করেন, তবেই যযাতি আবার আগের চেহারা ফিরে পাবেন। এক-একে অন্য পুত্ররা অসম্মত হলেও কনিষ্ঠ পুত্র পুরু পিতার জরা-গ্রহণে সম্মত হন। যযাতি তার রাজত্ব পুরুকে অর্পণ করেন। মহাভারতের এই আখ্যানটি নিয়ে বাংলা সাহিত্যে অনেক কাজ হয়েছে, মাইকেল থেকে দেবেশ রায়- এই আখ্যান নিয়ে নানা ধরনের লেখা লিখেছেন। কিন্তু গিরিশ স্বতন্ত্র এখানেই যখন তিনি পুরুর স্ত্রী চিত্ররেখার বয়ানে শুক্রাচার্যের সামনে প্রশ্ন রাখেন, নৃপতি যযাতি, যিনি সম্পর্কে তার শ্বশুর হন, কি অধিকার আছে তার দাম্পত্য-জীবন হরণের?  এখানেই পৌরাণিক আখ্যানের বয়ানে আধুনিক কালের নারীবাদী জিজ্ঞাসাকে তুলে ধরেছেন গিরিশ।
গিরিশ কারনাড তাঁর শৈশবের আকর্ষণ থেকেই ভারতীয় আখ্যান ও পুরাণ, মিথ, মহাকাব্য থেকে উপকরণ খুঁজেছেন তাঁর নাটকের। সেই উপকরণকে তিনি আধুনিক সময়ের ক্যানভাসে সমসাময়িক রঙ্গে-ব্যাঙ্গে এঁকেছেন মঞ্চের জন্য। এইভাবেই লিখেছেন ‘হয়বদন’, ‘নাগমন্ডল’ প্রভৃতি নাটক। ‘হয়বদন’ নাটকটি স্বাধীনতা-উত্তর ভারতীয় নাটকের একটি ‘মাইলফলক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। মানুষের আইডিন্টিটি বা আত্মপরিচয় আসলে কী, মানবসত্ত্বা বিকাশের পথ কী- এরকম গভীর কিছু চিরন্তন জিজ্ঞাসা ‘হয়বদনে’ উঠে এসেছে। ‘হয়বদন’ নাটকটি বাংলায় অনুবাদ করেছেন কবি শঙ্খ ঘোষ।
‘যযাতি’র তিন বছর পরে ১৯৬৬ সালে কারনাড লেখেন ‘তুঘলক’। সুলতানি আমলের, মহম্মদ বিন তুঘলক এই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র। এই নাটকটি তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে তুলে আনে। তের অঙ্কের নাটকটি দিল্লির খেয়ালি শাসক তুঘলকের চরিত্রের মধ্য দিয়ে সমসময়ের শাসকদের বৈশিষ্ট্যকে চিত্রিত করেছেন কারনাড। একজন খেয়ালি শাসক, তার বিচিত্র অভিরুচি ও স্বপ্নভঙ্গের কাহিনির পাশাপাশি এই নাটকটিতে স্বৈরতন্ত্রের বিপদ সম্পর্কেও সচেতনবার্তা দেন কারনাড। পাগলা রাজা বলে খ্যাত তুঘলক হিন্দু বিষ্ণুপ্রসাদের সম্পত্তি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।  তিনি চাননি তাঁর রাজত্বে হিন্দু-মুসলমান দ্বৈরথ হোক, বিরোধ বাধুক। গোটা দেশে এই নাটকটি বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায় অনূদিত ও মঞ্চস্থ হয়। ইব্রাহিম আলকাজি, শ্যামানন্দ জালান, অরবিন্দ গোউড়া, প্রসন্নের মতো খ্যাতিমান ভারতীয় বিভিন্ন ভাষার নাট্যপরিচালকেরা এর মঞ্চায়ন করেন। বাংলাতেও এই নাটকের বেশ কয়েকটি মঞ্চায়ন হয়েছিল। শঙ্খ ঘোষ অনুদিত ‘রক্তকল্যাণ’ কলকাতার গ্রুপ থিয়েটারগুলো মঞ্চস্থ করেছিল। দ্বাদশ শতকের ঘটনার প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে এই নাটকটি। কন্নড় কবি বাসবান্না এর কেন্দ্রীয় চরিত্র। তিনি শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের লক্ষ্যে তৈরি করেছিলেন ‘শরণ সংঘ’, রাজা বিজ্জল ছিলেন বাসবান্নার বন্ধু। এই সংঘ জাতপাতের সীমা মানতো না, এখানে এক মুচির ছেলের সঙ্গে এক ব্রাহ্মণের মেয়ের বিয়ে হয়। আঁতে ঘা লাগে অভিযাত উচ্চবর্ণের ব্রাহ্মণদের। রাজা সে-সময় ব্রাহ্মণদের পক্ষ নেননি। এরই প্রতিক্রিয়ায় রাজা নিহত হন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই নাটক ‘তালেডন্ড’। গিরিশ কারনাডের অন্যান্য বিখ্যাত নাটকের মধ্যে রয়েছে মা নিষাদ, আঞ্জুমালিগ্নে, নাগমন্ডল, তালেডান্দা (বাংলায় ‘রক্তকল্যাণ’), টিপু সুলতান, কান্ডে কানাসু, ওদাকালু বিম্বা প্রভৃতি।
থিয়েটারের পাশাপাশি চলচিত্রেও সমান দক্ষতায় হাজির ছিলেন গিরিশ কারনাড। তাঁর অভিনয়-জীবনের শুরু কন্নড় ফ্লিম ‘সংস্কার’-এ অভিনয়ের মধ্য দিয়ে। সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বার্তা ছিল এতে। এই চলচ্চিত্রের সহকারী চিত্রনাট্যকার ছিলেন তিনি নিজেই। এর পর ১০টি সিনেমা পরিচালনা করেন কারনাড। তাঁর পরিচালিত ‘ভষ্মবৃক্ষ’ জাতীয় পুরস্কার অর্জন করে। পরিচালক, চলচ্চিত্রকার ছাড়াও অভিনেতা হিসেবেও তিনি স্বতন্ত্র সম্মান আদায় করে নিয়েছিলেন। এমনকি ছোট পর্দায়ও তিনি ছিলেন সফল। তাঁর অভিনীত আর. কে. লক্ষ্মণ রচিত ‘মালগুডি ডে’জ’-এ তাঁর অভিনয় আজও অনুসৃত ও চর্চিত হয়।
পুনে ফিল্ম ইনস্টিটিউটের অধিকর্তা ও পরবর্তী কালে এর চেয়ারম্যান হয়েছিলেন গিরিশ কারনাড। থিয়েটারের মতই সমান্তরালভাবে চলচ্চিত্র আন্দোলনেও তাঁর ভূমিকা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করতে হবে। শ্যাম বেনেগালের ‘অঙ্কুর’, ‘নিশান্ত’, ‘মন্থন’-এ গিরিশ কারনাডের অভিনয় ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগ্রহশালায় চিরকালের সম্পদ হয়ে থাকবে। বাসু চ্যাটার্জীর ‘স্বামী’তে অসাধারণ অভিনয় করেছিলেন তিনি। এর পাশাপাশি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রেও দুর্দান্ত ছিলেন অভিনেতা কারনাড। অর্ধ শতাব্দী ধরে ৯০টিরও বেশি বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এমনকি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায়ও ‘টাইগার জিন্দা হ্যায়’, ‘চক এন্ড ডাস্টার’-এর মতো বাণিজ্যিক মুভিতেও অভিনয় সম্পন্ন করেছিলেন গিরিশ কারনাড।
আরেকটি অসাধারণ চারিত্রিক গুণ ছিল তাঁর। সরাসরি কথা বলতে পিছু হটেননি কখনো। তাই নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত ভারতীয় বংশদ্ভূত ত্রিনিদাদের লেখক ভি এস নাইপল যখন দেশের মুসলমানদের অবদান নিয়ে আলটপকা অভিমত রাখেন, তখন সবার আগে প্রতিবাদটা করেন কারনাড। ভারতীয় নাট্যসাহিত্য বা নাট্যআন্দোলনে রবীন্দ্রনাথের ভূমিকা নিয়েও তিনি সমালোচনামূলক বক্তব্য রেখেছিলেন।
শুধু নাট্যকার বা চলচ্চিত্রের অভিনেতা, পরিচালক নন, সামাজিক আন্দোলনেও সবসময় সক্রিয় ছিলেন তিনি। অসাম্প্রদায়িক ও সাম্যের ভারত তাঁর স্বপ্ন ছিল। সামাজিক শোষণ ও কুপ্রথার মতো বিষয়গুলোর বিরুদ্ধে সক্রিয় ছিলেন তিনি। সমতা, সামাজিক ক্ষমতায়ন, ধর্মনিরপেক্ষতার পক্ষে নিয়মিত পাথে নেমেছেন এই নন্দিত নাট্যকার-পরিচালক। তার সক্রিয় প্রতিবাদ ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ ছিল হিন্দুত্ববাদী শক্তির সাম্প্রদায়িক ভূমিকার বিরুদ্ধে। উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হাতে খুন হন কন্নড় সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী গৌরি লংকেশ। খুনীদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়রি থেকে জানা যায় এদের খতম তালিকায় সবার আগে ছিল গিরিশ কারনাডের নাম। দেশের হিন্দুত্ববাদী শাসকেরা যখন প্রতিবাদী বামপন্থী বুদ্ধিজীবীদের ‘আরবান নকশাল’ বলে উল্লেখ করে এবং তাদের কারারুদ্ধ করতে থাকে, সেই সময় নাকে অক্সিজেনের নল ও পোর্টেবল অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়েও রাস্তায় নামেন প্রতিবাদের উজ্জ্বল ব্যক্তিত্ব গিরিশ কারনাড। সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনের সময়ও সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে দেশের নাট্যজগতকে সামিল করতে সক্রিয় ছিলেন তিনি। বড় দুঃসময়ে চিরবিদায় নিয়ে চলে গেলেন তিনি। গিরিশ কারনাডের প্রয়াণে ভারতবর্ষ তথা এই উপমহাদেশের সমাজ-সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেল। পরিণত বয়সেই হয়তো তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। কিন্তু ভারতীয় নাট্যজগতে তাঁর স্থান অপূরণীয়ই থেকে যাবে। বিদায়ী শ্রদ্ধা এই প্রয়াত নাট্যকার-পরিচালক-অভিনেতা গিরিশ কারনাডের প্রতি।
জলপাইগুড়ি
১৪ জুন ২০১৯
#
গৌতম গুহা রায়
মোহন্তপাড়া
জলপাইগুড়ি,
পশ্চিমবঙ্গ
৭৩৫১০১
৯৪৭৪৩৮৫১১১