ফারহানা আনন্দময়ী অনূদিত > অরুন্ধতী রায়ের সাক্ষাৎকার >> ‘… ওদের আদর্শ বিশ্বাস মুসোলিনির দ্বারা প্রভাবিত’

0
344

অরুন্ধতী রায়ের সাক্ষাৎকার 

[সম্পাদকীয় নোট : গত ১১ জুন ‘ওপেন ডেমোক্রেসি’ পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে অরুন্ধতী রায়ের এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন ড্যানিয়েলা বেজ্জি।]

ভারতেই বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং শক্ত লকডাউন আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই করোনাকালে এখানে প্রায় এক কোটি মানুষ তার জীবিকা হারিয়েছে। কাজ হারিয়ে তারা পায়ে হেঁটে, সাইকেলে চেপে বা ট্রাকে ঝুলে ওদের কর্মস্থল ছাড়ছে। গত সপ্তাহে লকডাউন শিথিল হওয়ায় সংক্রমণের হার বেড়েছে। যদিও ভারতের মোট জনসংখ্যার তুলনায় সংক্রমণের হার কম, এখনও তারা শীর্ষে পৌঁছোয়নি। মোদি সরকারের সমালোচক হিসেবে লেখক অরুন্ধতী রায়ের নাম বারবার এসেছে, এই সাক্ষাৎকারে আমরা এই লকডাউন সম্পর্কে কথা বলবো ওঁর সাথে।

প্রশ্ন : সরকার যখন লকডাউন শুরু করেছিল, সেটা কি সময়োচিত পদক্ষেপ ছিল বা কার্যকর ছিল বলে মনে করেন?

অরুন্ধতী রায় : এই লকডাউনটা ছিল একটা বিপর্যয়। ভারতই বিশ্বের সেই দেশ যেখানে লকডাউনেও সংক্রমণের হার বাড়তির দিকে ছিল এবং যে সময়ে সংক্রমণ সবচেয়ে ভয়াবহ পর্যায়ে গেছে, অদ্ভুতভাবে, তখনই লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। এতে আমরা দ্বিগুণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি; প্রথমত, মৃত্যুহার বেড়েছে। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক ধ্বস নেমেছে। তবে মৃত্যুর হার শুধু ভারতে নয়, এই সংক্রান্ত তথ্য পুরো বিশ্বেই অনির্ভরযোগ্য। আমরা শুধু হাসপাতালের মৃত্যুর সংখ্যাই জানছি, কিন্তু এর বাইরেও ঘরে, পথে কিংবা জরুরি অবস্থার মধ্যে অন্যান্য মৃত্যুর সংখ্যা এখানে যুক্ত করতে পারছি না। ক্ষুধার তাড়নায় বা ক্লান্তিতে যে মৃত্যুগুলো, সেগুলোও এই হিসেবে ধরা হয়নি।

যেখানে প্রায় এক কোটি মানুষের বসবাস বস্তি এলাকায়, সেখানে লকডাউন বা শারীরিক দূরত্বের বিষয়টা যথাযথভাবে মানা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। মুম্বাইয়ের ধারাভি বস্তি হলো এশিয়ার বৃহত্তম, তো সেখানে দুই বর্গ কিলোমিটারে দশ লক্ষ মানুষ যদি বসবাস করে এবং একটা বাথরুম যখন শত শত মানুষ ব্যবহার করে, সেখানে আমরা শারীরিক দূরত্বের সতর্কতা মানা যাবে, এটা কীভাবে আশা করতে পারি?

যখন সংক্রমণ অনেক কম ছিল, তখন করোনা টেস্টিং বাড়িয়ে, পর্যবেক্ষণে মনযোগ বাড়িয়ে এবং রেস্তোরাঁ, শপিং মল বন্ধ রেখে যেখানে সংক্রমণ কমানোর পথ ছিল, সেই পথে না হেঁটে, আমরা পুরো দেশে একযোগে লকডাউন দিয়েছি। যখন অর্থনীতি ধুকছিল, এই লকডাউন তাকে আরো ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে, এবং অসংখ্য মানুষ কাজ হারিয়েছে।
পজেটিভ কেইস বাড়তে বাড়তে যখন দুই লাখ আশি হাজার ছুঁয়েছে, ঠিক তখনি লকডাউন শিথিল করা হচ্ছে। সবকিছু যখন ভেঙে পড়ছে তখন, সরকার দায় এবং দায়িত্ব থেকে সরে গিয়ে, জনগণের উপরে দায়িত্ব চাপিয়ে বলছে, এই ভাইরাসের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের প্রাত্যহিক যাপন এগিয়ে নিতে হবে। লকডাউন ঘোষণার আগেই অর্থাৎ দু’মাস আগেই যাদেরকে নিরাপদে ঘরে ফিরে যাওয়ার সুযোগ দেয়ার ছিল, তারা এখন সংক্রামিত হয়ে দলে দলে গ্রামে ফিরছেন।

এটা হচ্ছে সম্পূর্ণভাবেই নরেন্দ্র মোদীর অহম এবং জবাবদিহিহীন ক্ষমতার আস্ফালন এবং দেশের মানুষের অবস্থা না বোঝার মূর্খামি, যা দেশকে একটা ভয়াবহ সমস্যার দিকে ঠেলে দিয়েছে। তিনি ধূর্ত এবং নির্বোধ, যা একটি বিধ্বংসী মানবচরিত্রের যোগফল।

এর সাথে যোগ হয়েছে মোদীর ইসলামভীতি, যা সংবাদমাধ্যমগুলো নির্লজ্জ এবং দায়িত্বহীনতার সাথে প্রচার করেছে। তার সাথে তাল মিলিয়েছে একইভাবে যে, কেবল মুসলমানদের কারণেই এই ভাইরাসের সংক্রমণ অনেক বেড়েছে। টিভি শো’গুলোতে যখন কোভিড জিহাদ শুরু হয়েছে, তার অনেক আগেই সরকার কাশ্মীরের সাংবিধানিক সুরক্ষার ভার থেকে সরে এসেছিল, যেখানে দশমাস ধরেই লকডাউন চলছে এবং ৬০ লাখ মানুষ ইন্টারনেট সুবিধা থেকে বঞ্চিত। প্রশাসন মুসলিম নাগরিকত্ব আইন বাতিলের আন্দোলনের সূত্রে আর উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে হিন্দুদের সমাবেশে দিল্লি পুলিশ প্রকাশ্যে মুসলিমবিরোধী প্রচারণায় অংশ নিয়েছে।

দেশদ্রোহী নাম দিয়ে প্রতিদিনই তরুণ মুসলমান এবং অ্যাক্টিভিস্টদেরকে ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে গ্রেফতার করছে। বড় বড় রাজনীতিকরা প্রকাশ্যে তাদেরকে হত্যার প্ররোচনা দিচ্ছে।

প্রশ্ন : ডয়েচে ভেল-এর এক সাক্ষাৎকারে আপনি বলেছেন, এই ইসলামভীতি থেকে ভারতে গণহত্যা্র মতো পরিস্থিতি হতে পারে। আপনি কি একটু ব্যাখ্যা করতে পারেন, এই অবস্থা আসলেই কতটা ভয়াবহতার দিকে যাচ্ছে?

অরুন্ধতী রায় : হ্যাঁ, আমি বলেছি মূলধারার সংবাদ মাধ্যমে মুসলিমদেরকে মানুষ হিসেবে হেয় করে সংবাদ পরিবেশন করা হয়। তাদেরকে কোভিড জিহাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যেখানে আগে থেকেই মানুষের মধ্যে মুসলিমবিরোধিতা কাজ করছে সেখানে এই প্রচারণা মুসলিম গণহত্যার পরিস্থিতির অনুকুলে কাজ করছে।

আমরা গত কয়েক বছর ধরে দেখছি ভারতে মুসলিম নির্যাতন এবং জর্জ ফ্লয়েডের হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনা, শুধু পার্থক্য হলো পুলিশ, আইনি ধারা এবং রাজনীতিবিদদের প্রভাবে তারা কেউই শাস্তির আওতায় আসে না।

মুসলিম নির্যাতনের এইসব পর্ব ভারতে মোটেও নতুন কিছু নয়। ২০০২ সালের গুজরাটের ঘটনার দিকে যদি তাকাই, যখন নরেন্দ্র মোদী সেখানে মূখ্য মন্ত্রী ছিলেন, দেখবো, সেখানে মুসলিমদেরকে দিনের আলোয় প্রকাশ্যে জবাই করা হয়েছে; কিন্তু এর জন্য মোদী কিংবা পুরো দেশ কখনো অনুতপ্ত হয়নি। তিনি আর তার দলীয় সদস্যারা একটি হিন্দুত্ববাদী সংঘঠনের সদস্য, যা ভারতের সবচেয়ে বড় ক্ষমতাধর সংগঠন, আর ওদের আদর্শ বিশ্বাস মুসোলিনির দ্বারা প্রভাবিত।
হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিজম ভারতীয় সংস্কৃতিধারার একটা বড় অংশ। ভারতীয় জাতপাতে যেখানে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের আধিপত্য সেখানেই এই ফ্যাসিজমের বীজ নিহিত আছে।

লকডাউনের একেবারে শুরুতেই মার্চে দিল্লির নিজামউদ্দিনে মুসলিমদের তাবলিগ জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার পরপরই মিডিয়া কোভিড জিহাদ হ্যাশট্যাগ দিয়ে এই ভাইরাস সংক্রমণের জন্য মুসলিমদেরকে দায়ী করে প্রচারণা শুরু করে এবং মুসলমানদেরকে ‘মানব-বোমা’ হিসেবে উল্লেখ করে। তখন মুসলমানদের হাসপাতালে ভর্তি হতে বাঁধা দেয়া হয়েছে এবং প্রশাসন সেইসময়ে মুসলিম ফল বিক্রেতাদেরকে বর্জন করতে আহবান জানিয়েছিল।

থার্ড রাইখের সময় নাৎসীরা যেভাবে ইহুদিদেরকে রোগ-সংক্রমণের জন্য দায়ী করতো, এখনও সেই একই দৃশ্য ভারতে দেখতে পাচ্ছি। খুবই সাদৃশ্যপূর্ণভাবে জিটিভি এবং রিপাবলিক টিভি রেডিও রুয়ান্ডার মতো প্রচারণা শুরু করেছে। এই টিভিগুলো সরাসরি মোদি সরকার দ্বারা পুরস্কৃত হচ্ছে। যেন একটা ভৌতিক শো চলছে।

মুসলমানদেরকে মানসিকভাবে হেয় করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবেও দমন করা হচ্ছে। রমার্ট জে লিফটনের মতো লেখকদের লেখা পড়লে স্পষ্ট হবে যে, গণহত্যার মতো পরিস্থিতির সূচনায় এরকমই ঘটতে থাকে।

প্রশ্ন : লকডাউনের আগে-আগেই মুসলিমবিরোধী নাগরিকত্ব বিলের বিরুদ্ধে সমগ্র দেশ যখন ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলনে ছিল, এই মহামারী আসার সঙ্গে সঙ্গে তারাই আবার এত দ্রুত কী করে মুসলিমবিরোধী হলো?

অরুন্ধতী রায় : হ্যাঁ, গত কয়েক মাসে মুসলিম নাগরিকত্ব বিলের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন দেখেছি, তা ছিল এখন মার্কিন দেশে যে আন্দোলন চলছে তারই মতো। সেই আন্দোলন দল-মত-নির্বিশেষে একটি কাব্যিক এবং দুর্দান্ত সুন্দর আন্দোলন। ডিসেম্বরে এই বিলবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীরা যখন স্বতস্ফূর্তভাবে পথে নেমে আসে, প্রশাসন এবং পুলিশ তাদেরকে দমাতে নির্যাতন শুরু করে। এই দমনে জঙ্গীদমনের অস্ত্র ব্যবহার করতেও তারা পিছপা হয়নি তখন।
দিল্লিতে শাহিনবাগের নারীরা তিনমাস ধরে আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন রাজপথে; সেখানে প্রতিবাদী গান কবিতা দিনরাত চব্বিশ ঘণ্টা চলেছে। এর প্রভাব মুম্বাই, ব্যাঙ্গালুরু, কলকাতাতেও পড়েছিল। দিল্লিতে তখন রাজ্যের নির্বাচনী সমাবেশে মোদীর দলের সদস্যরা এই আন্দোনলনরত নারীদেরকে জঙ্গী আর পাকিস্তানি বলছিল। সেই নির্বাচনে তাদের হার হয়। এএপি সাধারণ মানুষের ভোটে জিতে এসেছিল। এর পরপরই মুসলিমবিরোধী সমাবেশগুলো জোরদার হয়েছিল।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সে-সময়ে দিল্লি সফরে এসেছিলেন যখন দিল্লি জ্বলছে-পুড়ছে মোদী বিরোধিতায়। কিন্তু ট্রাম্প এসব দেখেও উপেক্ষা করেছেন এবং মোদিকে সমর্থন দিয়ে গেছেন। পঞ্চান্ন জন মানুষ যখন সেই জ্বালাও-পোড়াওয়ের সময়ে মারা গেল, মার্কিন সংবাদ মাধ্যমে তা ফলাও করে প্রচার করা হয়েছিল, এবং বিজেপি রুষ্ট হয়েছিল। এই লকডাউনের সময়েও ধরপাকড় থামেনি। শিক্ষার্থীরা এখনও জেলে পচছে, অথচ বিধ্বংসী কাজগুলো তখন ঘটেছিল বিজেপির-ই পরোক্ষ ইন্ধনে।

প্রশ্ন : গত সপ্তাহের লকডাউনকালীন অবস্থা খুবই নাটকীয় ছিল। কেমিক্যাল প্লান্টে গ্যাস লিকে এগারো জন মানুষ মারা গেছে, শত শত মানুষ অসুস্থ হয়েছে, ষোল জন পরিযায়ী শ্রমিক ট্রেনের নিচে চাপা পড়ে নিহত হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়ে আশিজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এতসব বিপর্যয়ের পরে লকডাউন পরবর্তী ভারতের অবস্থা কী দাঁড়াবে?

অরুন্ধতী রায় : এই করোনাভাইরাস আমাদের মানবশরীরকে যেভাবে ধ্বংস করছে, এই লকডাউন ভারতের সামাজিক অবস্থাকেও ভয়ঙ্কর সঙ্গীন করে তুলছে। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক সকল অনাচার মহামারীর মতোই দৃশ্যমান হচ্ছে। ভারত এখন আরো বেশি বিক্ষত আর বিভক্ত হবে, বৈষম্য বাড়বে। লকডাউনের জন্য অর্থনীতি তো ডুবেছেই, শ্রমশক্তিও হ্রাস পেয়েছে; এই শ্রমশক্তিকে সবসময়ই কম মজুরি দিয়ে বঞ্চিত করা হয়েছে।

ভারতের অর্থনৈতিক অবস্থা যে কত ভঙ্গুর, তা এই পরিযায়ী শ্রমিকদের গ্রামে ফেরার দৃশ্যে প্রকটভাবে দৃশ্যমান হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলো শ্রমিকদের সুরক্ষার ধারাগুলি কাটছাট করতে চাইছে, যেন ভারতের অর্থনীতি খানিকটা চাঙ্গা দেখায়, চীনের সাথে পাল্লা দেয়ার মতো। এর পরিণাম কী হবে, এখনই বলা যাবে না। লকডাউনের আগে বেকারত্বের হার গত চল্লিশ বছরে সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ছিল। লকডাউনের পরে অবস্থা আরো কত ভয়াবহ হবে তা ধারণাই করা যাচ্ছে না। খাদ্যমজুদ যথেষ্ট থাকার পরেও দুর্ভিক্ষের মতো ঝুঁকির আশঙ্কা অনেক বেশি রয়েই যাচ্ছে।

এরকম অবস্থার মধ্যে একটাই সান্ত্বনা যে, যারা আগে ঘরে থাকতো, দেশের অবস্থা নিয়ে উদাসীন থাকতো, তারা সমাজের বৈষম্যগুলো এখন খালিচোখেই দেখতে পাচ্ছে। এই বৈষম্যের চিত্রগুলোকে বলিউড আর সামাজিক মাধ্যমগুলো আড়ালে রাখতো। ভারতের শক্তিমত্তা ক্ষুণ্ণ হয় এমন খবর তারা এড়িয়ে চলেছে। আগামী কয়েক সপ্তাহের বা মাসের মধ্যে ভারতসহ পুরো অঞ্চল জুড়ে এই বৈষম্যগুলো স্পষ্টভাবে ফুটে উঠবে। আমরা এসব মেনে নেবো নাকি এর বদল চাইবো?

প্রশ্ন : বিশ্বের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর সরকারের লকডাউনকালীন এই পদক্ষেপগুলোকে পর্যবেক্ষণ করা উচিত বলে আপনি বলেছেন।

অরুন্ধতী রায় : হ্যাঁ। কারণ, ভারতের মানুষের সাথে লকডাউনের নামে যা করা হয়েছে তা মানবতার বিরুদ্ধে একটি অপরাধ। পুরো প্রকৃত অবস্থাটা জানার জন্য আমাদের নির্ভরযোগ্য তথ্য দরকার। দেশের স্বাস্থ্যগত, অর্থনৈতিক বিষয়ে সরকার কী ভূমিকা নিচ্ছে এবং সেটা জানার জন্য সংবাদমাধ্যমের কী ভূমিকা, সেটা আমাদের জানতে হবে। এসব তথ্য-প্রমাণাদি জোগাড় করা আর প্রামাণ্যতথ্য হিসেবে সংরক্ষণ করাটা একটা বৈপ্লবিক কাজ হবে।