শাপলা সপর্যিতা > সম্পর্কটি শুধুই জৈবিক >> ধারাবাহিক উপন্যাস [পর্ব ৬৫]

0
204

পর্ব ৬৫

মানুষ যখন সব হারায়, নীতি আদর্শ প্রেম ভালোবাসা আশা স্বপ্ন প্রত্যাশা সব হারায়, তখনো জীবনটা বেঁচে থাকে অথর্ব নিঃসহায়। এই গ্লানি আর বেঁচে থাকবার যন্ত্রণার কথা মনস্বিতা জানে। তাই চেতনে অবচেতনে বেঁচে থাকার একটা শেষ অবলম্বন খোঁজে।

কিছুটা সময় মনস্বিতা মৌন। অচঞ্চল। অস্থির সময়ে অধীরতা পরিহার করা তার স্বভাব। বুদ্ধি আর বিবেককে পূর্ণরূপে ব্যবহার করে নিজের স্বপক্ষে যথেষ্ট যৌক্তিক কারণ রেখে দিয়ে যুদ্ধজয়ের কৌশল সে আয়ত্ব করেছে কিছুটা উত্তরাধিকারসূত্রে আর কিছুটা জীবনের পরমপাঠ থেকে। তমালকৃষ্ণের পারিপার্শিক অবস্থাটা বিচার করা তার জন্য সহজ। দুঃসময়ে তিনি তাকে পরম আদরে কোলে তুলে নিয়েছিলেন স্নেহে। সে স্নেহ গড়াতে গড়াতে গিয়ে মিশেছে পিতৃত্বের বোধে। কোনো রক্তের বন্ধনে তাকে সংজ্ঞায়িত করা সম্ভব নয়। কোনো জাগতিক সম্পর্কে তাকে রূপারোপ করা অসম্ভভ। প্রগাঢ় সমব্যথী তার রূপ। সহমর্মী তার প্রকাশ। দিনে দিনে বোধের আরও আরও গভীরে প্রবেশ করে তা এক অতিজাগতিক রূপলব্ধ হয়েছে মনস্বিতার কাছে। তার জন্য যদিও ফারুকের প্রজ্ঞাহীন জীবনবোধের কাছে নিগৃহীত হতে হয়েছে তমালকৃষ্ণকে যথেষ্টই। অথচ তিনি গায়ে মাখেননি পার্থিব কোনো অপমান। তিনি অসীমে বাস করে পৃথিবীর কোনো এক মানুষের কাছে সমর্পণ করেছেন তার শূন্যতা। দিনের পর দিন মনস্বিতাকে যে নকশালবাড়ি আন্দোলনের গল্প বলে গেছেন সে তার বিশাল শূন্য জীবনের ব্যর্থ যৌবন-শক্তি অপচয়ের যন্ত্রণার অকপট সারৎসার। খাঁচায় অবরূদ্ধ পাখির মতো সে যাতনার প্রত্যার্পণ না হলে বুঝি তার মৃত্যু নেই। কে বুঝবে এই ভারহীন মৃত্যু প্রত্যাশার ব্যকুলতা মনস্বিতা ছাড়া। আর তাই মনস্বিতাকে অবলম্বন করেছেন তিনি পরম জ্ঞানে, এটা মনস্বিতা জানে। স্ত্রী মাধবীর সাথে মনস্তাত্ত্বিক আর আদর্শিক অন্তর্দ্বন্দ্বের শুরু সেই নকশাল আন্দোলনের সময় থেকে। কৃষ্ণভক্ত শর্মার সাথে পিকিং চলে যাওয়ায় যে মানসিক দ্বন্দ্বের সূত্রপাত ঘটেছিল তাকে কখনোই স্বামী-স্ত্রীর সংঘাতে যেতে দেননি তমালকৃষ্ণ ঠিকই। কিন্তু গোপনে গোপনে সে দ্বন্দ্বেরই বিস্তার ঘটেছে দীর্ঘকাল ধরে। কখনো বা প্রকাশ্যেও। রাজনৈতিক মাতাদর্শগত প্রভেদ পারিবারিক আদর্শের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে তার। মিল হয়নি মাধবীর সাথে ব্যথায় আর বুদ্ধিতে। ইচ্ছে আর শক্তিতে। উৎসবে আর মৃত্যুতেও লঙ্ঘিত হয়নি দূরত্বের সীমারেখা। দূর কেবল দূরই হয়েছে সব। জীবনের বাঁচা মরার সন্ধিক্ষণে বাবার কাছে আশ্রয় না পেয়ে মাধবীও যেন ডেসপারেট হয়ে উঠেছিল। একটা ঠিকানা তার চাই-ই চাই। তাই কোনো উপায়ান্তর না দেখে বাংলাদেশে ফিরে আসার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল। নকশালবাড়ি আন্দোলন লক্ষচ্যুত হতে শুরু করেছে থেকে মাধবী ধীরে ধীরে আগ্রাসী হয়ে উঠছিল। সে আগ্রাসন প্রকট হতে শুরু করেছিল সপরিবারে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর থেকেই। মূল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বারবার বৃক্ষ। বারবার যে গাছের শেকড় কেটে তুলে নেওয়া হয়েছে তার কাছে ছায়া সুনিবিড় শান্তির আবাস একটা ব্যর্থ প্রত্যাশা। এটা তমালকৃষ্ণ জানতেন না তা নয়। তাই দিনে দিনে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে দুটি মানব মানবীর চিরায়ত প্রেম ভালোবাসা কিংবা ত্যাগের মহিমা। সেটা চলছে এই অবধি। মানুষ যখন সব হারায়, নীতি আদর্শ প্রেম ভালোবাসা আশা স্বপ্ন প্রত্যাশা সব হারায়, তখনো জীবনটা বেঁচে থাকে অথর্ব নিঃসহায়। এই গ্লানি আর বেঁচে থাকবার যন্ত্রণার কথা মনস্বিতা জানে। তাই চেতনে অবচেতনে বেঁচে থাকার একটা শেষ অবলম্বন খোঁজে। সে অবলম্বনটাও হয় আরেক মানুষই। কী অদ্ভুত বিধান! মানুষের কাছে পর্যুদস্থ হয়ে মানুষ আবার ফিরে আসে অন্য কোনো মানুষেরই কাছে। বিস্ময়! এ বিস্ময়ের ঘোর কাটে না কিছুতেই। এ ঘোর হয়তো কাটবারই নয়। সে নিজেও যখন ফারুকের সাথে কোনোভাবেই আদর্শের কিংবা রুচির জায়গাটাতে এক হতে পারছিল না, তখন ভীষণভাবে একটি সন্তান কামনা করেছিল বেঁচে যাবার জন্য। বেঁচে ওঠার জন্য। নিজের অবস্থান থেকে মনস্বিতা টের পায় স্ত্রীর কাছে পরাজিত হয়েছিলেন তামালকৃষ্ণ ঠিকই কিন্তু সে পরাজয়কে বেগবান করেছিল তখন নকশালদের কোনেঠাসা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। একটি প্রায় ব্যর্থ আন্দোলনের গ্লানি মাথায় নিয়ে জীবনের দায়ে পালিয়ে বেড়ানো একজন নকশালকে যখন সদ্যস্বাধীন ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশে ফিরে এসেই ছোট ভাইয়ের আগ্রাসনে পড়তে হয় বাপদাদার জমি সম্পত্তির জন্য, তখন শেষ ভরসা তিনি করতে চেয়েছিলেন টুলটুলের ওপরই। নিজের জীবনটার সাথে তমালকৃষ্ণের জীবনের খুব একটা মিল পায় মনস্বিতা সবসময়। এখনো তিনি যে অস্তিত্বের সংকটে ভুগছেন এ কথাটি আর অস্পষ্ট নয় মনস্বিতার কাছে। কিন্তু তার পুত্র এবং স্ত্রী দুজনের অজান্তে মনস্বিতার কাছে কি বাড়ির দলিল রাখা ঠিক হবে? তমালকৃষ্ণ যতই মনস্বিতাকে বিশ্বাস করুন না কেন তার স্ত্রী পুত্র কি বিশ্বাস করবে? নিজের কাছে দলিলটি রেখে দিতেই পারে মনস্বিতা। জীবনে যা যা পার করে এসেছে তার কাছে এ ঝক্কি নিতান্ত কমই। মনস্বিতা মৌনতা ভাঙে;
-কিন্তু আমি ভাবছি অন্য কথা।
-কী ভাবছ মনস্বিতা?
-আমি ভাবছি আমাকে দুদিন দেখেছে শৈলরাজ আপনাদের বাড়িতে যেতে।
-অহ হো। তাই নাকি?
-হ্যাঁ, আপনাকে বলিনি এ কথা?
-না তো। বলনি তো আগে?
-সন্ধিপূজোর দিন আপনাদের বাড়ির সিঁড়ি বেয়ে দোতলায় ওঠার সময় শৈল দেখেছিল আমাকে।
-ওহ তাই?
-ওর দৃষ্টি আমাকে বেশ ভাবিয়েছিল তখন। খুব একটা সহজ ছিল না সেটা।
-আর আজও আমি আপনার বাড়ি গেছিলাম।
-কী বলছ?
-হ্যাঁ। কিছু দরকারি পরামর্শ ছিল আপনার সাথে। ফোনটা বন্ধ পেয়ে ভাবলাম সরাসরি বাড়ি চলে যাই। মাস তিনেক তো দেখা নেই আপনার সাথে। কিন্তু আপনার বাড়ির সিঁড়ির গোড়া থেকে ফিরে আসি।
-কেন? বাড়ির ভেতর যাওনি? টুলটুল মাধবী কেউ ছিল না বাড়িতে?
মনস্বিতার সাথে মাধবীর ব্যবহারের কথা বলে তমালকৃষ্ণকে আজ আর লজ্জায় ফেলতে চায় না। কথাটাকে একটু এড়িয়ে বলে;
-ফিরে আসবার সময় আজও দেখা হয়েছে শৈলর সাথে।
-শৈল এটা নিয়ে মহা অনর্থ করবে তাহলে। কী বলছ কী এসব?
-হ্যাঁ।
-না না। তাহলে দলিলটি তোমার কাছে রাখার ভাবনা আমার বাদ দিতে হবে।
হঠাৎ তমালকৃষ্ণের এ-কথায় মনস্বিতা দ্বিধায় পড়ে যায়;
-কেন? হঠাৎ একথা কেন?
তমালকৃষ্ণকে খুব গম্ভীর দেখায়। তার সাথে পরিচয়ের দু বছরের মধ্যে তমালকৃষ্ণ কি বৃদ্ধ হয়েছেন খুব দ্রুত? ভেতরের টানাপোড়েন তাকে খুব ক্ষয়িষ্ণু করে তুলছে। এটা বেশ টের পায় মনস্বিতা। আজও কিছু একটা ভাবনায় কপালের রেখায় কুঞ্চন বাড়তে থাকে। বিছানায় বসেছিলেন। মাথাটা নিচে ঝুঁকিয়ে তাকিয়ে থাকেন তিনি নিজের পা দুটোর দিকে। পা দুটো বেশ দ্রুত ঝুলিয়ে ঝুলিয়ে নাড়ছেন তিনি। মাঝে মাঝে দৃষ্টি এদিক-সেদিক প্রক্ষিপ্ত হলেও আবার এসে ঠেকছে নিজের ঝুলন্ত পা দুটোর দিকে। ভাবনারা পরিব্যপ্ত। কিন্তু দিগ্বিদিক শূন্য গন্তব্য। হতাশ। সদ্য রোগত্তীর্ণ বৃদ্ধ মানুষটির করুণ মুখের এক অদ্ভুত মায়া মনস্বিতাকে আমূল জড়িয়ে ধরে। তার মনে দুশ্চিন্তার ছাপ মনস্বিতার বুকে কেন যে এতটা বিঁধতে থাকে! কেন? কেন এই একজন মানুষের কাছে সে এতটা বাঁধা পড়ে রয়েছে? কে তিনি? কোথায় তার সাথে রচিত হয়েছে এক অবিচ্ছেদ্য টান? এটা সে চাইলেও ছাড়িয়ে যেতে পারে না। সে কি কেবল মানবিক কোনো সম্পর্কসূতোর জোর? নাকি ঝড়ের দিনে বিপদে সাহা্য্য করতে আসা কোনো প্রতিবেশির প্রতি মনস্বিতার আজীবনের কৃতজ্ঞাতা প্রকাশ? কিংবা প্রতিবেশির প্রতি দায়িত্ব পালন? এ কোন দায়িত্ব মনস্বিতা বোধ করছে এই মুহূর্তে তমালকৃষ্ণের প্রতি? এ কোন ঐশ্বরিক যোগসূত্র যাকে মনস্বিতা কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। চায়ও না? এ কি মায়া? এ কি কেবলই শ্রদ্ধা? এ কি ভালোবাসা? সম্পর্কটি শুধুই জৈবিক? মনস্বিতার সাথে তমালকৃষ্ণের সম্পর্কের মধ্যে কি রয়েছে কোনো জৈবিক ছোঁয়া? ঘটনা? কারণ? নিজের মনের ভেতর এক অদ্ভুত বাকবিতণ্ডা চলে মনস্বিতার;
-হ্যাঁ, হ্যাঁ, আছে মনস্বিতা। আছে জৈবিক সম্পর্ক। জীবন সম্পর্কিত যা কিছু তার সবই তো জৈবিক।
নিজের সাথে কথা বলে মনস্বিতা।
-মানে?
-হ্যাঁ। তোমার বা তমালকৃষ্ণের মৃত্যু হলে দুজনের কারো সাথে আর এরকম কথা অধিকার দায়িত্ব ভালোবাসা মায়া কিছুই থাকবে না। যা আছে তা জীবন পর্যন্ত। তাহলে? সম্পর্কেটি কি জৈবিক নয়?
নিজের মনের ভেতরকার এমন সব ভাবনায় মনস্বিতা যখন অস্থির হয়ে ওঠে, তখনই মৌনতা ভেঙে হঠাৎ কথা বলে ওঠেন তমালকৃষ্ণরাজ চক্রবর্তী।
-না না। এ দলিল আমি তোমার কাছে রাখতে পারবো না মা।
মনস্বিতা তমালকৃষ্ণের ভেতরের ভাঙন টের পায়। তমালকৃষ্ণকে শান্ত করার যথাসাধ্য চেষ্টা তার;
-ঠিক আছে। রাখবেন না। কিন্তু আপনি অধীর হচ্ছেন কেন? আপনার শরীর পুরোপুরি সেরে ওঠেনি।
মনস্বিতার উদ্বেগ কিংবা আস্থিরতার কিছুই তমালকৃষ্ণের কানে যায়-কি-যায়-না বোঝা যায় না। তিনি তার কথাই বলতে থাকেন।
-শৈল তোমাকে ছাড়বে না মা। তোমার জীবন বিপন্ন করে তুলবে। তোমার জীবনকে আমি আমার স্বার্থে সংকটে ফেলতে পারি না। এ হয় না।
মনস্বিতা হাঁটু ভেঙে বসে তমালকৃষ্ণের পায়ের কাছে। দুটো হাত ধরে;
-আপনাকে অনুরোধ করছি এত ভাববেন না। আপনার শরীর দুর্বল। কিছু একটা উপায় বের হবেই। আপনি স্থির থাকুন।
এক অদ্ভুত চাহনিতে তাকান তমালকৃষ্ণ মনস্বিতার দিকে। ধীরে ধীরে তার চোখের সামনে মনস্বিতার মুখটুকুর আদলে দেখতে পান টুলটুল এবং আরও একজন মানুষের চেহারা মেশানো একটি মুখ! সে মুখে কিছুটা মাধবীর কিছুটা তার নিজের ছায়া। নিজেই কেঁপে ওঠেন,
-এ কী? এ তো মনস্বিতা নয়। না, না, এ তো সেই একজন। তারই আত্মজ। সাথে কেমন যেন টুলটুলের চেহারাটাও মিশে গেছে! হ্যাঁ, হ্যাঁ, তাইতো।
এসব ভাবতে ভাবতেই আবার অন্য আরও একটি মুখের ছায়া মুছে দেয় টুলটুল মাধবী আর তমালকৃষ্ণ সকলের মিলিত ছায়ার তৈরি মুখটিকে। ভেসে ওঠে একটি নতুন মুখ। ওই মুখে মনস্বিতার মায়া টুলটুলের ছায়া। কোথাও বা তার ছায়া ছায়া চোখে দেখতে পান নিজেরই চোখের উজ্জ্বলতাও। তার চোখে বিস্ময়। মনস্বিতা যখন তমালকৃষ্ণের দৃষ্টির ভাষা পড়তে ব্যর্থ, তখনই নিচে উন্মুখ টুলটুল অনেক্ষণ অপেক্ষা করে অস্থির হয়ে ওঠে;
-বাবাটা যে কী? ফোনটাও রিসিভ করছে না। এই অসুস্থ শরীরে চলে এলো মনস্বিতার বাড়ি। তাকেও নিতে চাইলো না। কী কথা মনস্বিতার সাথে তার? যা টুলটুলও জানতে পারে না?
আরও বার দুই ফোন করে কোনো প্রত্যুত্তর না পেয়ে টুলটুল রওনা হয় সোজা রাস্তাটার শেষ মাথার সেই বাড়িটাতে, তমালকৃষ্ণ ঢুকেছেন যেখানে। নিচে দারোয়ানের কাছে জেনে ওপরে মনস্বিতার ঘরে পৌঁছাতে তার মিনিট পাঁচের লাগে। তমালকৃষ্ণ ঘরে ঢোকার পর মনস্বিতার দরজাটা লাগনোর কথা মনে ছিল না। টুলটুলকে দেখে বিস্মিত দুজনই। তৎক্ষণাৎ মনস্বিতার দৃষ্টি আটকে যায় বিছানার ওপর পড়ে থাকা দলিলটার দিকে। খুব সন্তর্পণে মনস্বিতা দলিলটা হাতে নেয়। গতির দ্রুততা যেন টুলটুলকে ভাবিয়ে না তোলে সেদিকে খেয়াল রেখে টেবিলে খোলা পড়ে থাকা একটা ট্যাবলয়েড ম্যাগাজিনের ভেতর এমনভাবে রেখে দিয়ে ম্যাগাজিনটা বন্ধ করে যেন এমনি কোনো দরকারি কাগজ রেখে দিল। তারপর টেবিলটার কাছেই চেয়ার টেনে টুলটুলকে বসতে দেয়।
[চলবে]
পূর্ববর্তী পর্বের (৬৪) লিংক

http://www.teerandaz.com/%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%95%e0%a6%9f-56/

পরবর্তী পর্বের (৬৬) লিংক

http://www.teerandaz.com/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%AE%E0%A7%8C%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%89/