সুলতানা আজীম > প্রেমের অন্তরালে [পর্ব ২] >> মুক্তগদ্য

0
1742

পর্ব ২

সামাজিক ভণ্ডামোগুলোতে কতোটা অভ্যস্ত এরা, তা বোঝাতে কটি উদাহরণ বেছে নিতে পারি, কোনো কোনো দম্পতির সংসার থেকে।

[এক]
গভীর রাতে দুজনের ঝগড়া, মারামারি, কান্নার শব্দ শুনে পরনি যদি প্রতিবেশী জানতে চান, কী হয়েছিলো গত রাতে? ‘মা খুবই অসুস্থ, খবর পেয়ে কান্না থামাতে পারছিলাম না।’ খুব দ্রুত বেরিয়ে আসবে, এ ধরনের ‘রেডিমেইড’ মিথ্যে জবাব। বুঝেও না বোঝার মতো করে, জানতে চাইবেন প্রতিবেশী, ‘মায়ের’ অসুস্থতার ডিটেইলস। পরার্মশও দেবেন উপদেষ্টার মতো অনেক।

[দুই]
সকালে যে কোন বিষয় নিয়ে ঝগড়া মারামারি করে, সন্ধ্যায় শাড়ি গহনা অথবা অন্য কোন উপহার কিনে, স্বামী বাড়িতে ফিরবেন স্ত্রীকে ‘পটানো’র উদ্দেশ্যে। এই তুচ্ছ উপহার পেয়ে ধন্য হয়ে যাবেন স্ত্রী। ভুলে যাবেন মুহূর্তে, কয়েক ঘণ্টা আগের পিটুনি আহত শরীরের যন্ত্রণা। আলাপের সময়, প্রথমেই জানিয়ে দেবেন বান্ধবী প্রতিবেশী এবং আত্মীয়দের কাউকে পরদিন। এবং কদিন দিন ধরে। ‘‘জানিস (জানেন বা জানো) ও না আমার জন্যে কতো দাম দিয়ে শাড়ি (গহনা বা অন্য উপহার) কিনেছে। আমাকে এতো ভালোবাসে। প্রতিদিনই কোন না কোন উপহার ছাড়া বাসায় ফেরে না। ও যে কী ভালো, এরকম স্বামী হয় না।’’ স্যামসং বা আই ফোনের অপর প্রান্তের বান্ধবী, প্রতিবেশী, আত্মীয়ের চেহারার, এই ভদ্রমহিলা দেখতে পাবেন না। খুউব ভালো স্বামীটি, সে রাতেই হয়তো তুচ্ছ কোনো কারণে, স্ত্রীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করবেন আবার। ভদ্রমহিলার ‘রুটিন কান্না’শুনতে পাবেন অভ্যস্ত প্রতিবেশী সেদিনও। এবং অন্য দিনগুলোতেও। সব সময়ের মতো। এও প্রেম। অসুস্থ, ব্যক্তিত্বহীন প্রেম। তবুও প্রেম। ধরে রেখেছে দুজনকে একটি ছাদের নীচে। কেন? বিছিন্নœ হবার মতো জরুরি আত্মনির্ভরশীলতার অভাব। আতœসন্মানহীনতা। লজ্জাহীনতাও।

[তিন]
“গতকাল বসুন্ধরা মার্কেটে দেখলাম আপনাকে, শাড়ি কিনছিলেন, কার জন্যে?” এই প্রশ্ন করেন যখন উৎসাহী কোনো সহকর্মী, অনুচিৎ হলেও, কী হয় জবাব? ‘‘আপনার ভাবীর জন্মদিন ছিলো তো, তাই কিনেছি।’’ যদিও প্রেমিকা প্রিয়তমাকে উপহার দেয়া হয়েছে শাড়িটি, গতকাল সন্ধ্যায়। স্ত্রীর জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানানোর দায়িত্ব অনুভব করেন না স্বামীটি, তাও তো দু-তিন দশক হলো। জন্ম তারিখটিও মনে পড়ে না তার। আর শুভেচ্ছা? ভালো লাগে না যাকে এতটুকু,কতটুকু শুভেচ্ছা অবশিষ্ট থাকতে পারে তার জন্যে? দখল করে নিয়েছে স্থায়ী অভিশাপ, শুভেচ্ছার জায়গাটি। সেও তো অনেক বছর আগেই। শুভেচ্ছা অথবা অভিশাপে, বদলায় না যদিও কারো জীবনের কোন কিছুই, তবুও। বদলায় না যে, তাও কী বোঝে তারা? বোঝে না কেন? ওইযে, তারা তো যাপন করে না মুক্তবুদ্ধির যৌক্তিক জীবন। করে কেবল অযৌক্তিক প্রথাযাপন। তার সাথে মিলে মিশে থাকে,প্রতি মুহূর্তের ভন্ডামো আর মিথ্যে। মিথ্যে মিথ্যে এবং মিথ্যে।

[চার]
একই দৃশ্য দেখা যায় স্ত্রী ভদ্রমহিলাটির (?) বেলায়ও। তিনিও উপহার কেনেন নিয়মিত (নারীরা বোধহয় উপহার কিনতে এবং দিতে পছন্দ করেন বেশী) তার প্রেমিকের জন্যে। সেদিন দুপুরেই পরিয়ে দেন প্রিয়তমর গায়ে শার্টটি, দেখা হবার পরে। এই উপহার বিপজ্জনক। (উপহারও হতে পারে ভয়ানক রিস্কি, এরকম প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্যে।) বাড়িতে নিয়ে যাওয়া ঠিক নয়। প্রেমিকের সাথে দুষ্টু মধুর মিলন শেষে বাড়ি ফেরেন, খুব অনুগত, বাধ্য, ধর্মান্ধ স্ত্রী হয়ে। হিজাব পরেন তিনি হয়তো। হয়তো, পুরো শরীর ঢেকে রাখা আটটি কাপড়ের ‘আবায়া’ও। এরকম স্ত্রীদের, প্রতি মিনিটের অভিশাপ নির্ধারিত থাকে, স্বামী বদমাশটির জন্যে। প্রবল ঘৃণা ছাড়া, কী আর থাকতে পারে, এত অসৎ স্বামীর জন্যে? ও তো মানুষ নয়, স্বামীও নয়। কেবলই নর্দমার বিষাক্ত ব্যাকটেরিয়া। আর মহান প্রেমিকটি? তার মতো কী কোন পুরুষ আছে পৃথিবীতে? অনন্য, অন্যতম? একক? না কী সবই সে?

শুরুতে দুজনই বলেছেন দুজনকে, নিজেদের স্বামী এবং স্ত্রীর সম্পর্কে। প্রবল ভালোবাসা আর সহানুভূতি তো পেতে হবে, প্রেমিক অথবা প্রেমিকার কাছ থেকে। যা কিছু নালিশ করেছেন তারা, তার মধ্যে কটি বাক্য লিখতে চাচ্ছি। ‘‘জানো, আমার স্ত্রীর মতো বাজে মহিলা আমি জীবনে দেখিনি। আমার কোনো কাজেই তার কোনো পার্টিসিপেশন নাই। কোন আগ্রহ নাই। আমার টাকায় খায় পরে, আর ব্যাস্ত থাকে নিজেকে আর তার বাবার বাড়ির লোকজনদের নিয়ে। মহিলা এতো আনকালর্চাড আর এত স্বার্থপর। বিন্দুমাত্র ভালোবাসা নেই আমার তার প্রতি। কোন দায়িত্বও নেয় না। এভাবে কী জীবন কাটানো যায় বলো।’’ এবং এবং এবং। মানে যা সত্য, তা তো বলেই। যা সত্য নয়, বলে তাও। প্রায় সবই বলে। বলে না শুধু, নিজের সর্ম্পকে খারাপ কোনকিছুই।
আমাকে, তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ করলে, ‘রেডি মেইড’ প্রশ্ন থাকতো আমার, ‘‘এরকম একটি মানুষকে কেন বিয়ে করেছিলেন আপনি?’’ জবাবটি যদি এমন হতো, ‘‘তখন তো জানতাম না, যখন বিয়ে করেছি।’’ আমার পরের প্রশ্নটি হতো, অটোমেটিক, ‘‘জানার পরে কেন বয়ে যাচ্ছেন এই যন্ত্রণা?’’ এর জবাবে তিনি যা বলতেন, তা মিথ্যে। অভ্যস্ততার মিথ্যে। প্রথাগত মিথ্যে। এতোটাই অভ্যস্ত হয়ে যান এরা মিথ্যে বলায়, মিথ্যেকেই মনে করেন সত্য। সত্য আর মিথ্যের পার্থক্যও, করতে পারেন না আর। আমার দ্বিতীয় প্রশ্নটির জবাব, মানে সঠিক জবাব তো আমার জানা। তাই, তার উত্তর পাওয়া না পাওয়ায়, কী যায় আসে? তবুও জানতে চাইলে, কী বলতেন ভদ্রলোক? বলতেন, ‘‘সে তো আমার ওপর নির্ভরশীল, ছেড়ে দিলে কোথায় যাবে? ছেলে-মেয়ে দুটো বড়ো হচ্ছে, তাদের তো মা বাবাকে দরকার।’’ এবং এরকম আরোও কিছু। এসব মিথ্যে অবশ্য, প্রথাগত সত্য। স্ত্রীকে চাকরি করতে না দিয়ে, নিজের ওপর নির্ভরশীল করে, নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখার কৌশল।

তাতেই কী নিয়ন্ত্রণে থাকে সে? নিয়ন্ত্রণে থেকেও সে এক্সপার্ট হয়ে যায়, নিয়ন্ত্রণহীন জীবনে। এই নিয়ন্ত্রণহীনতা গোপন রাখার নিখুঁত পদ্ধতিতে অভ্যস্ত তারা। অভ্যস্ত দুজনেই। স্বামী স্ত্রীকে, আর স্ত্রীর স্বামীকে ঠকানোর (পারিবারিক বিষয় থেকে প্রায় স-ব বিষয়ে) ব্যাপারগুলো এদেশের ‘ওপেন সিক্রেট।’ অধিকাংশ স্বামী স্ত্রীর। তার মধ্যে একটি জানাতে চাই আপনাকে। স্বামীর মানি ব্যাগ, পকেট এবং সেল ফোন গোপনে চেক করেন না, এরকম স্ত্রী কজন আছেন, সেই সংখ্যা বের করতে, বেশিক্ষণ গবেষণা করার দরকার হয় না। স্বামীর বেলায়ও ব্যাপারটি একই রকম। মানি ব্যাগের পরির্বতে, ভেনেটি ব্যাগ। র্পাথক্য এতোটুকুই। এর বাইরেও কিছু গোপন এলাকা থাকতে পারে দুজনের। চেক করা হয় অনেক সময় সেগুলোও। এই এলাকাগুলোর অন্যতম হচ্ছে, দুজনের ওয়াড্রব এবং আলমিরা।

সন্তানদের কারণেও বিচ্ছিন্ন হতে পারেন না তারা, তা ঠিক। কিন্তু এই কারণটির যৌক্তিকতা প্রসঙ্গে অবশ্যই লিখবো। লিখবো, পরের এপিসোডে। এই স্বামী ভদ্রলোকের, লেটেস্ট প্রেমিকাটির সর্ম্পকে, লিখতে চাচ্ছি তার আগে।

খুবই বুদ্ধিমতি নবীন প্রেমিকাটি। আরো গভীরভাবে জড়িয়ে ধরে বুকের সাথে তৃতীয় চতুর্থ পঞ্চম অথবা দশতম প্রেমিককে। অভয় দেয় বার বার। বার বার। ‘‘আমার কাছে সবই পাবে সোনা, যা কিছু পছন্দ করো তুমি।’’ কোমল হাতটি বুলিয়ে দেয় প্রেমিকের প্রশস্ত বুকে। যে বুক ধারণ করে আছে, আদর ভালোবাসায় পরিপূর্ণ একটি মহাসমুদ্র। এই নিশ্চয়তা আর নির্ভরতা পেয়ে, যে প্রেমিকটি আগামীকালই কিনে আনবে তার জন্যে, আমিন জুয়েলার্স থেকে দু-তিন লক্ষ টাকায় কোনো গহনা। হীরের গহনাও হতে পারে। গোল্ড তো এই প্রেমিকার জন্যে যথার্থ উপহার হয় না। খুব ব্যাক ডেটেড। হীরা ছাড়া কী মূল্যায়ন করা যাবে, এমন বিশ্বস্ত প্রেমিকাকে? (এর পরে হীরাও ব্যাক ডেটেড হয়ে যাবে হয়তো। তখন কিনতে হবে প্লাটিনামের গহনা। যদি ততো দিনে, প্লাটিনামের গহনা তৈরির আইডিয়া, কোনো গহনা ব্যবসায়ীর মগজে প্রবেশ করে)। হীরার গহনা পেয়ে, এই প্রেমিকাটি দেবে আরও বেশি প্রেম। বেশি আদর, সহানুভ‚তি, সোহাগ এবং যা কিছু সে দিতে পারে, স-ব।

যদি কমে আসতে থাকে উপহার, কমে যায় একেবারে, নীচে নামতে থাকবে, প্রেমিকাটির ভালোবাসায় উত্তপ্ত থার্মোমিটার। নামতে নামতে শেষ হয়ে যাবে প্রেমের উত্তাপ। তখন? কী হবে তখন? হ্যাঁ, অনিবার্য হয়ে উঠবে বিচ্ছেদ। বিচ্ছেদই তখন একমাত্র গন্তব্য। এই প্রেমও কিন্তু প্রেম, তা কী অস্বীকার করা যাবে? কিনে নিতে হয়, সাময়িক এই প্রেম, উপহারের বিনিময়ে। সাথে রেস্টুরেন্টে খাওয়ানো। দেশের ভেতরে বেড়াতে যাওয়া। দূরে কোথাও হারিয়ে যাওয়া দুজনে। যেতে হয় দেশের বাইরেও। অন্য পরিবেশে। নুতন করে পেতে চাইলে, দুজন দুজনকে। বর্ডারের ওপাশে ভারত তো আছেই। প্রেমিকার আহলাদ মেটাতে, যেতে সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ার ‘বালি’তেও হয়তো। পাশ্চাত্য পৃথিবীও লক্ষ্য হতে পারে তাদের, সামর্থ থাকলে। দেশ-দেশান্তরে না গেলে কী গভীরতর হবে প্রেম? একাত্ম হবে হৃদয়ে হৃদয়, আর শরীরে শরীর? ‘অফিসিয়াল ট্যুর’ শব্দ দুটো তো উৎপাদন করা হয়েছে, অনেক শতাব্দী আগে, এরকম প্রেমের স্বপ্ন পূরণের জরুরি প্রয়োজনে। অন্য দেশে যাবার কারণ তো বলে যেতে হবে, ‘গৃহবধু‘কে। অপজিটভাবে ‘গৃহস্বামী’কেও।

এই প্রেম কিন্তু অ-নে-ক ক্ষেত্রে ‘মান্থলি সেলারি’ মানে, মাসের বেতনের বিনিময়েও কিনতে হয়। লেটেস্ট প্রেমিকাকে খুউব জরুরি মনে হয় যদি। তাকে ছাড়া, ওই পুরুষটি যদি মনে করে, জীবন অচল হয়ে যাবে তার। এই যে বিভিন্ন উপহার, দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো এবং বেতনের বিনিময়ে প্রেমিকার সান্নিধ্য, শরীর উপভোগ করা, এটা কিনে পাওয়া প্রেম ঠিকই, তবে, এটা অন্য এক ডায়মেনশনের প্রস্টিটিউশান। এখানে একজন উপহার এবং টাকা দিয়ে শরীর কেনে। অন্যজন বিনিময় নিয়ে, বিক্রি করে নিজের শরীর। গোপন এই কেনা-বেচার ব্যবসায়ে জড়িত দুজন। এটা যদি অন্যায় হয়, তো সেই অন্যায়ের দায়ে অভিযুক্ত দুজনেই। এই ধরনের প্রস্টিটিউশান বাংলাদেশে গোপনে করলেও, অনেকটাই প্রকাশ্য এখন। সবাই জানেন। অনেকেই করেন। অবৈধ অনৈতিক, তবুও। গোপন থাকলে সিদ্ধ। প্রকাশ হলে নিষিদ্ধ, এটাই এখানকার নৈতিকতা। তথাকথিত শিক্ষিত (?) নারী-পুরুষ এসবে এখন এতই অভ্যস্ত যে, নির্দ্বিধায় তারা বলতে পারেন, আমি পঞ্চাশ জন পুরুষের সাথে যৌনতায় সর্ম্পকিত ছিলাম। আর আমি ভোগ করেছি পঞ্চাশ জন নারীর শরীর। এটাকে প্রতিযোগিতার বিষয় করে তোলা হয়েছে। এবং গর্বের বিষয়ও। এই ধরনের নারী পুরুষেরা, অবাধ যৌনতাকেই মনে করেন, স্বাধীনতা। স্বাধীনতার অন্য কোনো অর্থ নেই তাদের কাছে। অনেক সময় এই যৌনপ্রেমের, আবেগে বিহŸল হয়ে তোলা যৌথ ছবিও তারা দেখান বন্ধুদের। পোস্ট কী করেন ফেসবুকে? ব্যাক্তিগত বিষয়ের ওপেন প্লাটফরম করে তুলেছেন ফেসবুককে, অধিকাংশ ব্যবহারকারী। যা ইচ্ছে, যেভাবে ইচ্ছে দেয়া যায় ওখানে। কোনো বোধই নেই অনেকের। লজ্জার, অসম্মানের। পরিনামেরও। এতই ‘ড্যাম কেয়ার’ তারা। ব্যক্তিত্বহীনতার ব্যাপারটি জড়িত বলেই, যে প্লাটফরমে অনেক অনেক গুরত্বপূর্ণ, জরুরি বিষয় নিয়ে কাজ করা যেত, তাকে করে তুলেছেন এত স্থূল। এতো নোংরা।

অনেকের ব্যবহৃত এই প্রেমিকাটির, সামাজিকভাবে নির্দিষ্ট একজন ‘স্বামী’ও রয়েছে। কী যায় আসে তাতে? এরকম বাঁধা, অথচ, অবাধ জীবনের এই সুখ আর পরিতৃপ্তি কী ওই ‘‘নিত্য দিনের ঘড়ায় তোলা ময়লা জলে’’ মেটানো সম্ভব? না। অবশ্যই নয়। এদের, এই ধরনের নারীদের যতো অভিযোগ তাদের ‘স্বামী’দের বিরুদ্ধে, প্রধান অভিযোগটি হয়, ‘সে ইমপোটেন্ট’। কেন হয়?
[চলবে]

পূর্ববর্তী পর্ব ১

http://www.teerandaz.com/%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%be-%e0%a6%86%e0%a6%9c%e0%a7%80%e0%a6%ae-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%8d/