ছোটগল্প | এখন সে ক্লান্ত | ক্লাউদিয়া লামা আন্দোনি | তর্জমা : আনিসুজ জামান

0
150

দেয়ালের গায়ে বলটি বিস্ফোরিত হতে শুনছে ওলগা।

“পুচকে হারামজাদাটা এরই মধ্যে শুরু করে দিয়েছে।”

সারাদিন সে সহ্য করেছে রাস্তার কোলাহল, হার্ডওয়্যার দোকানের হৈচৈ, বসের বকাবকানি—এমনকি নিজের বাড়িতে এসে শান্তিতে খেতেও পারে না। টেবিল থেকে উঠে জানালার বাইরে তাকায় সে। প্রতিবেশী পুচকেটা ওখানে রিয়াল মাদ্রিদের ইউনিফর্মে পাকা খেলোয়াড়ের বল ধরে দাঁড়িয়েছিল। তার হাতে ছিল উজ্জ্বল কমলা রঙের গ্লাভস। পা আর হাঁটু দিয়ে বলটিকে বাউন্স করে উপরে তুলে বুকে নামিয়ে পাস দেওয়ার ভান করে আবার উপরে তুলে মাটিতে নামাচ্ছিল সে। যতক্ষণ পর্যন্ত খুব জোরে শব্দ না হয় ততক্ষণ ওলগা সহ্য করতে পারছিল, কিন্তু আবার সে দেয়ালের গায়ে বলটি মারে এতটাই জোরে যে লোহার গেটটা কেয়ামতের মতো শব্দ তোলে।

“তুই চালিয়ে যা, আমি দেখাচ্ছি তোকে মজা।”

কাজ থেকে বাড়ি ফিরে, ওলগা তার ঘরে উঁকি দেয়। আর্নুলফো শর্টস পরে টেলিভিশন দেখছিল। তার ভুড়ি দেখে মনে হচ্ছিল যেন তার উপর কোনো পশু সওয়ার হয়েছে। ওলগা এখনও তার ওই থলথলে ভুড়িতে অভ্যস্ত হয় নি, রাতে তার কাছে গেলে সে দুঃস্বপ্নের মতো চমকে ওঠে। কাজ বন্ধ করার পর আর্নলফো খুব মোটা হয়ে গিয়েছে।

“হাই আমার চিকনা, তুমি এসেছ আমি টের পাইনি!” সে বিছানা থেকে কষ্ট করে উঠে বলে : দিনটি কেমন গিয়েছে?

সে ওলগার দিকে চুম্বনের জন্য এগিয়ে গেলে মুচকি হাসি দিয়ে ওলগা সাড়া দেয় : আর ক্যামনই বা যাবে?

“তোমার জন্য মাইক্রোওয়েভে দুপুরের খাবার আর ফ্রিজে আনারসের রস রেখেছি।” সে ওলগাকে তার সৌম্য চোখে বলল, যে-চোখের প্রতি ওলগা ছোটবেলায় প্রেমে পড়েছিল যখন জীবন সম্পর্কে তার অতি সামান্যই ধারণা ছিল।

“এর মধ্যেই টের পেয়েছি।” নোংরা থালাভর্তি বেসিন সত্ত্বেও কোনো ক্ষোভ প্রকাশ না করেই ওলগা উত্তর দেয়। আর হুয়ানকা?

– ইউনিভার্সিটিতে।

– তার সাথে কথা হয়েছে?

– ভেবো না। এটা আমার উপর ছেড়ে দাও। খেয়ে নাও, তোমার ক্ষুধা লাগার কথা।

ওলগা উদ্বিগ্ন ছিল যে হুয়ান কার্লোস বাড়ির চেয়ে রাস্তায় বেশি সময় কাটাবে এবং এমন আচরণ করবে যেন তার কাছে কোনো কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়, যেন জীবনটা স্রোতের সঙ্গে ভাসিয়ে দেওয়ার জন্যই। তাকে উপদেশ দেওয়ার চেষ্টা করলে ও দাঁড়ায়, বলে, তুমি কি জান, বলে চলে যায়।

ওর পা ব্যথা করছিল, ক্ষুধার্ত ও ক্লান্ত ছিল, কিন্তু এই জগাখিচুড়ির মধ্যে বসে শান্তিতে খেতে বসতে পারছিল না। শহরের বিশৃঙ্খল অবস্থা এবং হার্ডওয়্যারের দোকানের শোরগলের কারণে তাকে অন্য পরিবেশ খুঁজে বের করতে হবে। সে থালা-বাসন ধোয়া ও গোছানোর কাজ শেষ করে মাইক্রোওয়েভ থেকে তার দুপুরের খাবারটি বের করে : চর্বিযুক্ত হলুদ ভাতের স্তূপের উপর গোলাপি সসের প্লেটটা নিয়ে সে খাবার টেবিলে বসল। থালায় কাটাচামচ ঢুকিয়ে নেড়েচেড়ে দেখতে শুরু করল : কুচিকুচি পেঁয়াজ, ধনেপাতা এবং লাল মরিচ; সালামির অংশ এবং আলুর ভাজা স্টিক। ওলগা নীচের দিকে তাকিয়ে তার পেট এবং ভাজ করা পাগুলি দেখে। সেও মোটা হয়ে গিয়েছে।

“এটা খাবার না, এটা হলো বয়সের ভার, “স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার কথা বললে অর্নলফো তাকে অট্টহাসি দিয়ে বলেছিল, সেই হাসি যা সে একধরনের ঢাল হিসাবে ব্যবহার করেছিল, যা তখন পরিণত হয়েছিল অস্ত্রে, সেই একই হাসি পঁচিশ বছর আগে তাদের বিয়ে হওয়ার সময় তাকে নিরাপত্তা দিয়েছিল। ওলগা অন্য কিছু রান্না করতে পারত, নিজেরটা নিজে করে নিতে পারত, কিন্তু সে যা রান্না করেছিল সেটাই গিলে ফেলা তখন সহজ ছিল। কারমেলার অভাব যে সে কতটুকু অনুভব করে, সেটা বললে কেইবা বিশ্বাস করবে, কারমেলা ছিল এমন এক মহিলা যে সবসময় নিজের অবস্থানটা আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিত। আর সে ছিল খুব একগুয়ে, আর ঠোঁটকাটা। যখন সে কাজ করত তখন অন্তত বাড়িঘর ছিল পরিষ্কার এবং খাবারটা ঠিকঠাক ছিল। কতটা বিদ্রূপাত্মক, সেই সময়ের জন্য আকাঙ্ক্ষা করা, যে সময়ে সে ভুগছিল। কেন তুমি খেদিয়ে দিতে সম্মত হয়েছিলে?

ওলগা রুমে ফিরে যায়।

– শুনেছ?

– কি?

– বোকার মতো কথা বলো না, আর্নলফো।

– ওলগিই, ও তো একটা বাচ্চা ছেলে।

– আমার তাতে কি? আমার তো পাগল হয়ে যাওয়ার দশা।

– ও তো খেলছে।

– খেলছে? বাগানটা ধ্বংস করে দিচ্ছে।

– ওলগিই, থামো, এখানে ওদের আসা এক মাসও হয়নি এরি মধ্যে তুমি শুরু করে দিলে!

– আমি তোমাকে বলে দিচ্ছি এই ছেলে অনেক ক্ষতি করে ছাড়বে।

– ওলগা, এত বড়ো করে তুলো না। প্রতিদিন তো আর করছে না।

– প্রায় প্রতিদিনই তো। আর যেহেতু তুমি কোনো বাধা দিচ্ছ না… তাই যা ঘটার ঘটে যাবে।

– নিশ্চিন্ত থাকো আমাদের টাকাটা দরকার। দেখেছ আর শব্দ আসছে না, সে এরইমধ্যে হাঁপিয়ে উঠেছে।

হয়তো সে ঠিক বলছিল, আর ওলগা বিষয়টি অতিরঞ্জিত করছিল। কোন সময়ে জীবনটা এরকম হয়েছে, কারণ যে নিঃশ্বাসটি সে নিচ্ছে সেই নিশ্বাসটি যেন কোথাও কিছু পচে যাচ্ছে।

“এরা খুব ভালো মানুষ,” আর্নলফো যখন তাকে নতুন ভাড়াটেদের সম্পর্কে বলেছিল, “তুমি সেটা দেখতে পাবে।” কিন্তু সে যে “ভালো লোকদের’ নীচের তলা ভাড়া দিয়েছে তাদের উপর ওলগা খুব বিরক্ত। তারা প্রায় দুই মাস প্রশান্তির সঙ্গে ছিল… সে, আরনলফো নয়। শান্তি মতো থাকতে পারলে কলা দিয়ে মসুর ডাল খেতে আপত্তি করত না, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বেতনটা দিয়ে সাহায্য করতে হুয়ান কার্লোসও একটা চাকরি পেতে পারত। কিন্তু, হ্যাঁ, বিয়ারের জন্য, টেলিভিশনের কেবলের খরচ, অথবা জুনিয়র গেমসের টিকিটের টাকাটা আসত না।

অবশেষে যখন সে তাকে নতুন প্রতিবেশীদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিল, ওলগা তার বাড়ির প্রবেশমুখে দাঁড়াল যেন সে তাদের দ্বিতীয় দরজা; অন্য দিকে অনুপ্রবেশকারীরা, সাথে ছিল অর্নলফো এবং তার বোকা হাসি। যদি আর্নলফো ওলগার জায়গায় নিজেকে বসাত তাহলে বাকিটা হতো ইতিহাস।

– এই হলো ফনসেকা পরিবার।

ওখানেই ‘ভদ্র’ ফনসেকারা ছিল। চল্লিশ বছর বয়স্ক লালকেশী চতুর চেহারার বন্ধুবৎসল মি. ফনসেকা। খুব পরিপাটি দোনা ফনসেকার মুখের কপট হাসি তাকে হ্যালো বলতেও উস্কে দেয়নি। তাদের মাঝখানে ছিল প্রায় এগারো বছরের ছেলেটা, সোজা এবং লম্বা মূর্তির মত করে এমনভাবে দাঁড়িয়ে ছিল যেন সে পুরুষদের টয়লেট-নির্দেশিকা। বাবার মতো লালকেশী এবং মায়ের মতো চেহারা। ওলগা না হেসে তাদের আন্তরিকতার সঙ্গে অভ্যর্থনা জানায়। “ওদের সঙ্গে আরেকটু ভালো ব্যবহার করো না!” আর্নলফো তাকে অনুনয় করছিল। কিন্তু ওলগা আর ভদ্রতা দেখাতে প্রস্তুত ছিল না। তার হাসিমাখা স্বামীটা যার বিশাল বিশাল বুদ্ধি শুধুমাত্র নিজের ভুড়িটা ফুঁ দিতেই কাজে লাগে তার ভাড়া দেওয়ার পর কি ঘটে সেটাই শুধু সে দেখার অপেক্ষায় ছিল।

সে আবার জানালার কাছে যায়। ছেলেটি আর ওখানে ছিল না। দেখা যাক এখন সে তার নিবেদিতপ্রাণ স্বামীর ভালবাসা দিয়ে তৈরি করা চর্বি ও শর্করার পাহাড়টা শান্তিতে খেতে পারে কিনা। একটা সালামির টুকরোয় সে কামড় দেয়, যেন ডাক্তার যা পরামর্শ দিয়েছেন : কম ফল ও শাকসবজি আর বেশি স্যাচুরেটেড ফ্যাট। চিরচারিত আর্নলফো পৃথিবীটাকে উল্টোভাবে বিশ্বাস করে আসছে।

আর্নলফো চাকরি ছাড়ার পর যে টাকাটা পেয়েছে তা দিয়ে বাড়িটাকে দুটি ছোট অ্যাপার্টমেন্টে ভাগ করে নেওয়া ভালো একটা কাজ হবে। ওলগি, আমি আর যুবক নই, এই বয়সে কাজ পাওয়া কঠিনই হবে, আমাদের বাচ্চারা বড় হয়েছে, আলেদিস বোগোতাতে তার জীবন গুছিয়ে নিচ্ছে এবং হুয়ান কার্লোস এখন আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছে, আমাদের পুরো বাড়িটার আর দরকার নেই। আমরা কারমেলাকে বিদায় করি আর আমি সব দেখাভাল করব। চিন্তা করো না, চিকনা আমার, দেখো এটাই আমাদের জন্য ভাল হবে।

“আমরা আরও ভাল করতে যাচ্ছি”-এর দেড় বছর হলো এবং আমি এসব দেখে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। আমার উপর আরো বয়সের ভার পড়ছে আর আমাকে কাজ করেই যেতে হচ্ছে। হৈচৈ করা ভাড়াটিয়া, ঠিকমতো ভাড়া দেয় না, এমনকি শূকরের মতো নোংরা। আর এখন দেখা যাচ্ছে তারা কাজ করতে যায় এবং স্কুল থেকে বাড়িতে আসার পর থেকে ছেলেটিকে অ্যাপার্টমেন্টে একা রেখে যায়।

“এটা কি বেআইনি না?” সে একবার আর্নলফকে জিজ্ঞাসা করেছিল। নাকি তারাও আমাদের বাচ্চাপালনকারী হিসাবে ধরে নিয়েছে?

– এটা নিয়ে আর ঝামেলা পাকিও না, আমাদের টাকার প্রয়োজন। এগুলি আগে থেকেই বলে নেয়া হয়েছে। এবং বিষয়টির এখানেই শেষ।

শালার টাকা। তার ঠাকুরমা তাকে খুব স্পষ্টভাবে বলেছিল : ভালো করে শোন মেয়ে, শান্তি এতই মূল্যবান, এর জন্য মূল্য দেওয়া উচিত। কিন্তু সে কোন শান্তির কথা বলছিল কারণ ইদানীং তার কাছে মনে হচ্ছিল যে সে ভুল বাসের টিকিট কেটেছে আর সে আর জানে না সে এখন কোথায় দাঁড়িয়ে আছে।

ওলগা আরো একমুঠো ভাত তার মুখে তুলে নিল। এমনকি তার দাদির উঠোনের মুরগিও এই ভাত/ খাদ্যশস্য গিলত না। কিন্তু ওলগা কি ভাবছিল তখন যখন এগুলো মেনে নিয়েছিল! সে এখন ছেলেটির মিষ্টি কণ্ঠ শুনতে পেল, নিচে ফিসফিস করছিল। আবার ওখানে এসেছে। এবং আরেকটি শট। তার গলা দিয়ে একটা বড় টুকরো পাথর নেমে যায়। জুস নিতে উঠে ফ্রিজের কাছে যায় যদি তাতে এই খারাপ সময়টা কাটিয়ে উঠতে কিছু সাহায্য করে এই ভেবে। অতিরিক্ত মিষ্টি এবং বাজে ভাবে ছাঁকা, অখাদ্য। ফিরে যায় টেবিলের কাছে। গেট থেকে আরও একবার চিৎকার আসে। আরেক মুঠো খাবার ও আর যতবার দেয়ালে বাড়ি খাচ্ছিল ততবার অন্ত্রে গিট্টু লাগছিল : বাড়ি ওর ধৈর্য্য ধারণের জায়গা, সারাটা জীবন।

– না, এভাবে সম্ভব না, শান্তি, কিসের শান্তি!” সে উঠে ডাস্টবিনে খাবারটা ফেলে দেয়। আর্নলফোর গুষ্টি কিলাই!

সে জানালা দিয়ে উঁকি দেয়। কমলা রঙের বুটটার উপর বলটাকে ড্রপ খাইয়ে একটা ডজ দিয়ে বাঁকা পাস দিয়ে বলটাকে ইতোমধ্যে প্রায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া ঝোপের উপর মারছিল।

এই ফাজলামিটা চিরতরে শেষ করার জন্য ওলগা দরজা খুলল। অলোস আরনলফোর হাসিটা আর বলছে না যে দয়া করে আরেকটু শান্ত হও। এখন সে তার লাল কার্ড দেখতে পাবে। সে রেলিংয়ের দিকে এগিয়ে যায়। নীচের তলায়, বল গড়িয়ে যাওয়ার সময় ছেলেটি কিছু একটা বিড়বিড় করছিল। এবং আবার, সে তাকে বল দিয়ে মারল যেন তার সামনে মেট্রোপলিটনের ঘাস এবং তার বেচারা ঝোপগুলি ছিল গোলপোস্ট। সে তাকে সিঁড়ির দিকে দৌড়াতে এবং গাছের উপর দিয়ে ঝাঁপ দিয়ে ঝোপগুলো মাড়িয়ে যেতে দেখল। তাকে বকাঝকা করার জন্য রেলিংয়ের বারগুলো ধরে পাগলের মতো কাঁপতে কাঁপতে তাকে দেখেছিল, তার মুখ ফ্যাকাশে হয়ে গেছে, ঘামছে, চোখদুটো বুনো হয়ে উঠেছে, সে তাকে একটি কল্পনাপ্রসূত প্ল্যাটফর্মের দিকে লক্ষ্য করে গোল বলে চিৎকার করতে দেখল।

হঠাৎ বিব্রতকর এমন কিছু সে দেখেছে মনে করে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হয়, আবার একটু এগিয়ে যায়, ছেলেটির বুনো দৃষ্টিতে সে হতবাক, কেবলমাত্র তার কল্পনায় বিদ্যমান একটি গোলের আক্রমণাত্মক এবং শব্দহীন উদযাপন দেখে। সাবধানে দরজা বন্ধ করে সে টেবিলে বসতে যায়। ছেলেটির সবচেয়ে কোমলতম অনুভূতিতে ঢুকতে পেরেছে সে। ওর সারাটা দিন খুব বাজে গেছে, জানে না কখন কোন সময় যানজটেভরা এক রাস্তায় উষ্ঠা খেয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে।

আর্নলফো ঘর থেকে বেরিয়ে আসে।

– তোমার কি হয়েছে, ফ্যাকাশে দেখাচ্ছে? খেয়েছ তো?

ওলগা কোন উত্তর দেয় না।

– ছেলেটার কারণে? ওলগা, ওর কারণে জীবনটাকে এইভাবে নষ্ট করো না, এখনই সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে।

– হ্যাঁ, সে হার মেনে বলে, এখন সে ক্লান্ত হয়ে পড়বে।

ক্লাউদিয়া লামা অ্যান্দোনি

ক্লাউদিয়া লামা অ্যান্দোনি কলম্বিয়ার ব্যারানকুইলাতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর গল্প দেশে-বিদেশে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। ২০১২ সালে তিনি “একটি ডিমের একটি গল্প” গল্প দিয়ে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের স্টিমুলি রিলেটার প্রথম পুরস্কার জিতেছিলেন। ২০১৭ সালে তাঁর উপন্যাস Libros & Libros, Bogotá প্রকাশিত হয়। তাঁর গল্পের বই Bailarás sin tacones প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে।

Share Now শেয়ার করুন