সাক্ষাৎকার | গ্রহণ করেছেন ফেবিয়েন রথ, মারা হোলজান্থাল ও লিসা জিঞ্জেল | অনুবাদ ফারহানা রহমান

0
202

 

সাহিত্যকে সংগঠিত করতে, সনাক্ত করতে উত্তর-উপনিবেশবাদী তত্ত্ব বা অন্য কোনো তত্ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন; কিন্তু এইসব তত্ত্ব সাহিত্যের ব্যাখ্যাকে সীমাবদ্ধ করে ফেলে। কারণ সাহিত্যে এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু থাকে।

বিশ্বসাহিত্য, উত্তর-ঔপনিবেশিক সাহিত্য এবং বৈশ্বিক-উত্তর (Global South) সাহিত্যের মতো যেসব স্তরের কথা বলা হয় সে-সম্পর্কে আপনার চিন্তাটা কি? আপনি কি মনে করেন আপনার লেখালেখির জন্য সাধারণভাবে এগুলি প্রয়োজনীয় এবং/অথবা গুরুত্বপূর্ণ বা দরকারি? আপনি কি নিজেকে এরকম কোনো শ্রেণির লেখক হিসেবে বিবেচনা করবেন?

এগুলো দরকারি প্রাতিষ্ঠানিক কারণে। পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজগুলোর মধ্যে তুলনা করতে হলে, বাজার তৈরি ও বিপণনের উদ্দেশ্যে এবং প্রকাশনার সুবিধার্থে আপনি লোকজনকে বোঝানোর জন্যে এমন কিছু হতে পারেন। কিন্তু আমি আমার নিজের লেখালেখির বৈশিষ্ট্যের কথা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এই বর্গগুলো ব্যবহার করবো না। কেননা এগুলো কোনো লেখার গুণমান বিচার করবার অথবা সংস্কৃতি সৃষ্টির প্রক্রিয়া নয়। সাহিত্যকে সংগঠিত করতে, সনাক্ত করতে উত্তর-উপনিবেশবাদী তত্ত্ব বা অন্য কোনো তত্ত্বকে ব্যবহার করতে পারেন; কিন্তু এইসব তত্ত্ব সাহিত্যের ব্যাখ্যাকে সীমাবদ্ধ করে ফেলে। কারণ সাহিত্যে এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু থাকে।

তাহলে আপনি কি নিজেকে উত্তর-ঔপনিবেশিক এবং/অথবা বিশ্বসাহিত্যের একজন লেখক বলবেন না?

আমি উত্তর-উপনিবেশবাদের মতো শব্দগুলোর কোনটাই ব্যবহার করব না। আমি নিজেকে কোনো নির্দিষ্ট ধরনের লেখক বলব না। আসলে, আমি নিশ্চিত নই যে আমি নিজের নাম ছাড়া অন্য কিছু বলতে পারি। যদি কেউ আমাকে বলে, “আপনি কি অমুক ধরনের লেখক বা তমুক ধরনের…. কোনটা?” আমি তখন বলবো “না”, আমি এই রকম কোনো ধরনের লেখক নই। ঠিক ঠিক বললে, আমি চাই না যে আমার নামটা সংকীর্ণ অর্থে ব্যবহার করা হোক।

এরকমভাবে ব্যাখ্যা করাটাও কি জরুরি?

এটি কোনো অপরিহার্য উপায় নয় বলে আমি মনে করি, কিন্তু সাংবাদিকরা এটা করতে পারেন। কোনো সাংবাদিক আমাকে বোর্ডে পিন লাগিয়ে বলতে পারেন, ইনি একজন বিশ্বসাহিত্য-লেখক। আমি এভাবেই বলি। এই ধরনের গ্রুপগুলোকে (গোষ্ঠীগুলি) প্রতিহত করার স্বাভাবিক উপায় হচ্ছে তাদের কথার উত্তর জটিল করে দেয়া।

পরিশেষে আমরা আরেকটি পৃথিবী থেকে পরিত্রাণ পেয়েছি, সেটা হলো কুৎসিত “ঔপনিবেশিকতা”। তাই এসব পরিস্থিতিকে ব্যাখ্যা করার জন্যে এখন উত্তর-দক্ষিণ শব্দগুলো ব্যবহার করাটা ভাল।

আমাদের পরের প্রশ্নটি আগের প্রশ্নটির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত : বিশ্বসংস্কৃতিকে প্রায়ই দক্ষিণ গোলার্ধ আর উত্তর গোলার্ধ হিসেবে বিভক্ত করা হয়। আপনি এই বিভাজনকে কীভাবে দেখেন, বিশেষত সাহিত্যের ক্ষেত্রে?

পৃথিবীটা সত্যি সত্যিই উত্তর-দক্ষিণে তৈরি করা হয়নি। কিন্তু এখন এভাবে বর্ণনা করাটা একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে হয়। আগে ব্যাখ্যা করার চেষ্টাটা ছিল ‘থার্ড ওয়ার্ল্ড’ বা ‘অনুন্নত বিশ্ব’ এরকম বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করে। এখন তুলনামূলকভাবে ‘উত্তর’ এবং ‘দক্ষিণ’ শব্দগুলো কিছুটা ভদ্রজনোচিত বলে মনে হচ্ছে। যা-ই হোক, এটা ছিল বাস্তবতা, ঐতিহাসিক পার্থক্যকে এভাবেই বর্ণনা করা হতো, পরিশেষে আমরা আরেকটি পৃথিবী থেকে পরিত্রাণ পেয়েছি, সেটা হলো কুৎসিত “ঔপনিবেশিকতা”। তাই এসব পরিস্থিতিকে ব্যাখ্যা করার জন্যে এখন উত্তর-দক্ষিণ শব্দগুলো ব্যবহার করাটা ভাল। ঐতিহাসিক সাম্রাজ্যবাদ প্রকৃতপক্ষে ঔপনিবেশিকতার দ্বারা তথাকথিত উত্তর ও দক্ষিণের পার্থক্যকে প্রতিষ্ঠিত ও সংহত করেছে এবং এর ধারাবাহিকতা চলতেই থাকবে। তো এটাই হচ্ছে পার্থক্য, যদিও উত্তর ও দক্ষিণ-এর বিষয়টিও পুরোপুরি সঠিক নয়। তবু এই পার্থক্যকে ব্যাখ্যা করবার জন্যে এই ‍উত্তর-দক্ষিণ বলাটাই সর্বশেষ আর সবচেয়ে নিরপেক্ষ উপায় বলে মনে হচ্ছে। আপনার অবশ্য এই ধারণাগুলোকে কোনো স্থান (স্পেস) দিয়ে ব্যাখ্যা করাটা উচিত হবে না : এটা একধরনের মনোভাব, বোঝাপড়া, প্রত্যাশা, ইত্যাদির সাথে সম্পর্কযুক্ত। তাই চীনের এমন কিছু অংশ থাকতে পারে যা পশ্চিমের মতো সমৃদ্ধ, কিছু অংশে আবার হয়তো নেই। এটা আসলে স্থানের বিষয় নয়। যখন আপনি চেষ্টা করবেন মাঝখানে থাকতে, তখনও স্থানের কথাই বলা হবে, কিন্তু যখন উত্তর-দক্ষিণের মাঝখানে আপনি নেই, তখনও কোনো একধরনের মাঝামাঝি অবস্থান আপনি নিতে পারেন। এরকম অবস্থানে আপনি থাকলেই, আমি মনে করি, আপনি একজন উদার মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলেন, আর তখনই নিজেকে বিশ্বের একজন মানুষ হিসেবে দেখতে পাবেন, ফলে, মানবিক হয়ে উঠবেন। যা-ই হোক, বাস্তবে পার্থক্য আছে, আসুন আমরা বলি, আপনার জীবনের ধরন, আপনি যে-ই হোন না কেন, আপনি উত্তর বা দক্ষিণের হোন না কেন, আপনি চান আর না চান আমাদের জীবন ভিন্ন থাকবেই। এই ধরনের সাংস্কৃতিক অবস্থায় রাষ্ট্র, সমাজ ও সংস্কৃতি আপনাকে অনেক কিছুই আপনার প্রয়োজন ছাড়াই সরবরাহ করবে : হাসপাতাল, স্কুল, কল্যাণমূলক বেতন এইসব। অন্য অনেক দেশেরই এসব নেই, ফলে, একটা স্থানের মানুষের সঙ্গে অন্য আরেকটি স্থানের মানুষের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য আছে। এর ফলে অনেক কিছুই ঘটছে। ঐতিহাসিক ঘটনা থেকে এই ধরনের পৃথক সমাজ তৈরি হয়েছে।

বর্তমানের কথা যদি বলি, আপনি কি বলবেন “শরণার্থী সংকট” অনেক পরিবর্তন এনেছে? যদি ধরেন তথাকথিত দক্ষিণের দেশগুলো থেকে মানুষ জার্মানিতে আসে, উদাহরণস্বরূপ বলছি, তারাও কিন্তু জার্মানিকে বদলে দিতে পারে, এভাবেই যেমন অন্য অনেক দেশ পরিবর্তনের প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে।

ঠিক আছে, আমি পরামর্শ দিচ্ছি না যে সবকিছু চিরকালের মতো স্থির থাকবে, সবকিছুই আসলে বদলাচ্ছে। অন্য দিকে, কারা ও কতটা বেশি বদলাবে বলে আপনি মনে করেন। ধরুন, দশ লাখ শরণার্থী জার্মানিতে এলো, কাদের বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে বেশি – জার্মানির নাকি শরণার্থীদের? এটা হচ্ছে আমার এই প্রশ্নের উত্তর : কিছুটা হলেও এটি একটা পার্থক্য তৈরি করবে। উদাহরণস্বরূপ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ভবিষ্যতে যে কোনও রিফিউজির প্রবেশের একটিই শর্ত, আর তা হলো তাদের সরাসরি ইংরেজি শেখার জন্যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। যেহেতু এতে কোনও সমস্যা ছিল না, রাষ্ট্র এই শর্তটা দিয়েছে, ফলে তারা যখন এখানে এলো তখন তাদের আমাদের মতো হওয়ার দরকার হয়ে পড়ে।

আপনি যখন উপন্যাস লেখেন তখন কি কোনো ব্যক্তিক উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে লেখেন? উপন্যাস লেখার পেছনে আপনার কি কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য থাকে, নাকি মনের মধ্যে উপস্থিত গল্পটা লিখে ফেলেন?

কেউ যদি লক্ষ্যের কথা বলেন, সেটা বাগাড়ম্বর হয়ে যাবে। আমি, যতটা সম্ভব, বিশ্বাসযোগ্য লেখা লিখতে চাই, “মহৎ কিছু” বলার চেষ্টা না করেই। যা-ই হোক, এমন কিছু বিষয় আছে যা নিয়ে আমি চিন্তিত। এর পর আমি সে-সম্পর্কে অনুসন্ধান চালাই, গবেষণা করি, তারপর লিখি। যেমন, আমি যদি আমার বোনের সম্পর্কে লিখি, তাতে তাত্ত্বিক দিক থাকবে, কিন্তু তা যে আমার বোনের গল্প হয়ে উঠবে তা নয়। আরও ভালো একটা দৃষ্টান্ত হতে পারে আমার ‘বাই দ্য সী’ উপন্যাসটি। আফগানিস্তানের যুদ্ধ যখন ১৯৯০-এর দশকের শেষ দিকে চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছিল তখন লন্ডনে একটি বিমান আসে, যা একজন যাত্রী ছিনতাই করেছিল। ছিনতাইকারীরা বলেছিল তারা আশ্রয় চায়।… এই প্রেক্ষাপটে, একজন বৃদ্ধ লোকও আশ্রয় চাচ্ছিল। কয়েকদিন পরে আমি টিভিতে একটি প্রোগ্রাম দেখলাম, একজন অভিবাসন কর্মকর্তার কাজের উপর একটি ডকুমেন্টারি। এই অভিবাসন কর্মকর্তা রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থী একজন আবেদনকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছিল। আমি বিষয়টা নিয়ে আগ্রহী হয়ে উঠলাম। গবেষণা করলে, যা নিয়ে গবেষণা করছেন, তা আপনাকে বিষয়টা সম্পর্কে ভাবতে সাহায্য করতে পারে। এইভাবে আপনি যখন কোনো বিষয়ে মনোনিবেশ করবেন, তখন সেই উপাদানগুলো ধীরে ধীরে বিষয়টাকে দাঁড় করিয়ে দেবে এবং পরিশেষে আপনি লিখতে শুরু করতে পারেন। এটাই ঘটেছে ‘বাই দ্য সি’-র ক্ষেত্রে।

আপনি যখন একটা কিছু ভাবেন, তখন আপনার সৃজনশীল প্রক্রিয়ার মধ্যে স্মৃতি কোনো ভূমিকা পালন করে – আপনার ব্যক্তিগত স্মৃতি, পারিবারিক স্মৃতি, অথবা কোনো ধরনের যৌথ স্মৃতি?

আচ্ছা, স্মৃতি; কিন্তু সেই স্মৃতি শুধু অতীতকে মনে করার অর্থে নয়। আমি মনে করি না যে কোনো বিশেষ স্মৃতির উপর নির্ভর করে কোনো ধরনের গল্প লিখেছি। কিন্তু টুকরো টুকরো স্মৃতির উল্লেখ থাকতে পারে যা আসলে আমার কোনো আত্মীয় বা আমার পরিচিত কারুর ঘটনা।

একজন আগন্তুক, নিজের মতো করে নিজের পথ খুঁজে পাওয়ার অসুবিধার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করা, পরিত্যক্ত বাড়িতে থাকা, এইসব আমাকে প্রভাবিত করেছে। আমি ভার্জিনিয়া উলফের মতো নই যিনি দশ বছর বয়সেই জানতেন লেখিকা হবেন। আমি কেবল একদিন দেখলাম লিখতে শুরু করেছি, যেমন মানুষেরা সাধারণত করে।

আপনি হয়তো আসল কাহিনি ভুলে গেছেন তখনই কল্পনা ও স্মৃতি কাজ করবে, স্মৃতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এটা সবকিছুকে বাস্তব করে তোলে, কিন্তু যেমনভাবে স্মৃতিটা পেয়েছেন সেইভাবে নয়। স্মৃতি আপনাকে সম্পূর্ণ একটা গল্প দেবে না যা আপনি টেক্সটের মধ্যে ঢুকিয়ে দিতে পারেন।

আপনি কীভাবে সাহিত্যে দক্ষিণ-দক্ষিণ সম্পর্কের বিষয়টি ব্যাখ্যা করবেন?

সাহিত্যে দক্ষিণ-দক্ষিণ সম্পর্কের বর্ণনা নতুন কিছু নয়। যখন কেউ বলে যে আমার কাজটি ভারত মহাসাগরকেন্দ্রিক, দক্ষিণ-দক্ষিণ বিষয়ে লেখা, তখন তাতে যে ভাবনাটি থাকে তা ভারত মহাসাগরকেন্দ্রিক দেশগুলোর আন্তঃসম্পর্কযুক্ত ইতিহাস ও সংস্কৃতির ধারণাকেই তুলে ধরে। আমি আমার উপন্যাস রচনার শুরু থেকেই এই বিষয়টি নিয়ে লিখছি। সম্প্রতি এ নিয়ে কিছু অ্যাকাডেমিক কাজও করেছি। এটি এখনও চলমান আছে, আমি বলতে চেয়েছি যে কসমোপলিটনের বিষয়টি শুধু পশ্চিমে কেন্দ্রীভূত নয়। তাই যখন হঠাৎ করে কেউ কেউ এরকম কথা বলেন, এটি সত্যিই এমন একটা কিছু যা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি।

সবশেষ প্রশ্ন – এমন কোনো লেখক কি আছেন যাঁর দ্বারা আপনি, বিশেষ করে উপন্যাস লিখতে গিয়ে প্রভাবিত হয়েছেন?

আমি এভাবে বলব না। এরকম কিছু সম্ভবত ঘটেনি। একটা নির্দিষ্ট বয়সে মনে হতো এটি হয়তো বিশেষ কিছু যা আমি করতে চাই, উদাহরণস্বরূপ বলতে পারি বয়সের কারণে ইংল্যান্ডে যাওয়াটা বা চলে আসাটা, অর্থাৎ একটা জায়গা থেকে আরেকটা জায়গায় আসাটা সমস্যাসংকুল ছিল।
একজন আগন্তুক, নিজের মতো করে নিজের পথ খুঁজে পাওয়ার অসুবিধার মধ্য দিয়ে জীবনযাপন করা, পরিত্যক্ত বাড়িতে থাকা, এইসব আমাকে প্রভাবিত করেছে। আমি ভার্জিনিয়া উলফের মতো নই, যিনি দশ বছর বয়সেই জানতেন লেখিকা হবেন। আমি কেবল একদিন দেখলাম লিখতে শুরু করেছি, যেমন মানুষেরা সাধারণত করে। সংগ্রহ করলাম লেখার নতুন কাগজ, যা আমার ওই ভাবনাকে তৈরি করতে সাহায্য করলো। তারপর পৌঁছুলাম জীবনের সেই স্তরে সেই ভাবনায় : এটা কী? এ দিয়ে আমি কি করবো? ওই স্তরে এসেই বুঝতে পারলাম, লিখতে চাওয়া এবং লিখতে পারার মধ্যেকার পার্থক্য। আমি যখন কিছু লিখি তখন আমাকে গুছিয়ে নিতে হয়। তো লেখাটা লেখালেখির চাইতে আরও বেশি কিছু। কেননা লেখালেখির অর্থ হলো আপনার কথাগুলোকে নিজের শরীরের ভেতর থেকে বলতে হবে। একসময় মনে হলো আমি যা লিখছি তা উপন্যাস হয়ে উঠছে। আমার লেখার প্রক্রিয়াটা এরকমই ছিল। এর পরে তো আরও ভালো লেখার ব্যাপারটা সামনে চলে এলো। আর একবার যদি আপনি কমিটেড লেখক হন, তাহলে খুঁজতে হবে কোনো প্রকাশক। এরকম ভাবেই আপনি লেখক হয়ে উঠবেন। (সংক্ষেপিত)

সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেছিলেন ফেবিয়েন রথ, মারা হোলজান্থাল ও লিসা জিঞ্জেল। স্থান : জার্মানি। তারিখ : ২১ জানুয়ারি, ২০১৬।

 

 

Share Now শেয়ার করুন