Fifteen Poems by Five Poets >> Hasan Robayet / Farhan Ishraq / Rimjhim Ahmed / Mosabbir Ahe Ali / Anupam Mondol >>> Translated by Mosabbir Ahe Ali




Gold Forest
What do water tank or
Gold forest think
Rapturing the earth
Desperately I blink
As Neighs trembles
The household lamp
Through the star-dust way
I walk alone
One is played in shines
One in water
All the day the universe
trying to utter (this)

All day long who or whos have
spread hatred
Here blooms Ballerina, crossing
the stream-bed
Here dances in the lifetime
the dead universe
The cut tongue is silent
Shakes imposed.
Burns the venom, burns the smile
there grows dawn
Dry the coffin in sun
the wood’s companion.

That train if stops
will pick you in
Slippers arrest moonlight
The whistle thinks
Who are to come
will never do they
Beside the dark night
Burns Sulphar ray
Wide stoops in
the spider’s room
Don’t let this time
but in the next you bloom

Get out to somewhere
As passed many days
In the cloud like glue forest
The violin plays
Tell the tale of beauty
to winds and wines
This body is of crops
in the busy province
There flies pollen all day long
Worded in panic
He who goes to himself
again comes back

O you, accomplished in formless
Alone in around
Woes are blowing through sunshines
The earth is raptured
Offer waves to touch the shore
In your words
Under the wood I saw
Days all pass
Floating on disguised waves
Body immersed half
The broken lamp trembles
More than the star.


In the day of falling tinsel

Right here in delusion, the river of Tudor rose left all the lavement in the flax bed–
Nonetheless, you are the marble shadow,
Somewhere you forgot the days of tinsel falling
From the custard apple gardens, there has eroded gold
in the same Maliciousness.
The deathly body finds the crosswalks.



Mother, pouring all the rains, is blocking pollens
Elusive sun-rays on benches in stripe–
If called ice, stopped its flying
Like every stars are dumb steel beside the bubbles
The sunshine fell asleep in the next home assuming mom as stone. Sometimes sun-rays flourishes on the wall through the winds of spreading wool. And then, the round breads seem Van Gogh to kids.


HASAN ROBAYET >> Original three poems in Bengali



কী যে ভাবে দিঘি-জলা
মেদিনী বিদার হয়ে
ঘুরি প্রাণপণ—
ঘোড়ার হ্রেষায় কাঁপে
তারাধূলিপথে আমি
একা একা চলি
এক তার বাজে রোদে
এক তার জলে
সারাদিন চরাচর
সেই কথা বলে

কে বা কারা সারাদিন
ছড়িয়েছে ঘৃণা
আগুনের গাঙ বেয়ে
ফোটে ব্যালেরিনা
আয়ুর ভেতরে নাচ
চরাচর মৃত
চেরা জিভ সুনসান
কাঁপে আরোপিত
বিষ জ্বলে, জ্বলে হাসি
লকলকে ভোর
কফিন শুকাও রোদে
কাঠের দোসর

ঐ ট্রেন থেমে গেলো
তোমাকে উঠাবে
স্লিপারে জোছনা জমে
হুইসিল ভাবে
কাদের আসার কথা—
আসবে না আর
গভীর রাতের ধারে
পোড়ে সালফার
এখানে অনেক ঝুল
মাকড়শা ঘরে
এবারে না হোক— এসো

কোথাও বেড়িয়ে পড়ো—
যেন বহুদিন
মেঘের শিরীষবনে
বাজে ভায়োলিন
বলিও রূপের কথা
বাতাসে ও মদে
এ শরীর শস্যের
ভরা জনপদে
রেণু ওড়ে সারাদিন
বাঙ্ময় ত্রাশে
যে যায় নিজের কাছে
সে-ই ফিরে আসে

অরূপে সাধন তুমি
একা চারিধার
সন্তাপ ভাসে রোদে
ঢেউ দাও সে ভিড়ুক
তোমার ভাষায়
দেখেছি কাঠের নিচে
দিন চলে যায়
ঢেউ-অভিনয়ে ভাসি
তারার অধিক কাঁপে
রাংতাঝরার দিন
এখানে, শেফালির নদী অতসী চরের কাছে এসে
তাদের সমস্ত স্নান রেখে গেল আলেয়ায়—
তবু তুমি মর্মর-ছায়া,
কোথাও ভুলে গেছ রাংতাঝরার দিন
আমাদের আতাফল বন থেকে বনে ক্ষয়ে গেছে হেম, রাত্রির অভিন্ন হিংসায়

মরণ-শরীর তার খুঁজে পায় সাঁকো-পারাপার


মা,তার সমস্ত শ্রাবণ ঢেলে আটকাচ্ছেন পরাগ
বেঞ্চিতে ফাঁকা ফাঁকা রোদ—
কেউ বরফ বললেই থেমে যাবে ওড়া!
যেন বুদ্বুদের পাশে প্রতিটি তারাই ভাষাহীন ইস্পাত—
মাকে পাথর ভেবে পাশবাড়িতেই ঘুমিয়েছে রোদ মাঝে মাঝে উল ছড়ানো হাওয়ায় দেয়ালে ফুটে ওঠে রোদ—তখন গোল গোল রুটিই শিশুদের ভ্যানগঘ—
কে যেন ঘুমের ভেতর সরায় পাতার ফাঁক—






Oh mother! Through away the cellphone! I can hear you clear
Chord cut deep from the navel—thrilled mild!
Tucking the worldly cavity of Magenta dark in the ear
I am waiting intently! Please tell me….
like you uttered wrapping me in your quilt
Can the Electronic dalliance of the sound stream be so susceptible?
Throwing away the headphone– before the medicine comes
I shall leave the sanatorium withdrawing the name.
In flashback, I see the sanatorium far away.
Yellowish or slightly grey strip of cloth on forehead
Body trembling in fever!
The waves of fate line in the cup of melted biscuits
Hands are star wide– are you flying away?

At what direction flows the stream of fondness?
Festival of current foams through the continents
The still break apart!
The seeds lie silently in the soil juice
See, how intent it is in the flight of the leaves!
How earnest it would be the language of hints!
A stork standing on single leg
Hadn’t it told me in the day of knowing longitude?
The voice of the falling bamboo leaves, the playroom
The night of clustered apple, the festive dews
Oh mother! Throw away the cellphone, I can hear you.


How will my posthumous face look like
I ask this question to several mirrors.
The cosmetic factories never delay to
change the tone of their advertisement in these groundless rumors.
The tears says–it is best as a mirror
The other media of reflection is deeply silent
after watching the flash of the fire.
A fly- after the huge salvo flies away
shattering the wall of glass in the alternative equinox.
Its not easy to depict the image of death
in the mirror of life– uttering this the mirror shatters.
The moon rises alone in the port after the ginger stocks ended
The crystal sweat of retail price, sketches such a circle
on which a broken forehead emerges
in a unsuitable evening.
The road under the sky, the canvas line, the banyan hair
The pain barrier that is bitter than the shade of hunger
The ships full of lights anchor in the shore
The kitchen becomes restless by the scents of spices

Turning left, seeing my own grave, I took the other way
Blood pinches in the vain as the straight line slightly wrenches
like the nail of leg finger uprooted.
The longevity turns in another way before the shipmate knows
Not goods, there suddenly shines the shipwreck in the port.


FARHAN ISHRAQ >> Original three poems in Bengali




সেল ফোন ফেলে দাও মা, শুনতে পাচ্ছি…
নাভি থেকে কেটে ফেলা কর্ড…মৃদুশিহরিত
মেজেন্টা আঁধার ধরা বিশ্বগহ্বর
কানে গুঁজে একাগ্র হয়ে আছি, বলো…
আঁচলে জড়িয়ে নিয়ে যেভাবে বলতে
ধ্বনিপ্রবাহের বৈদ্যুতিন লীলা
তার চেয়ে শব্দগ্রাহী হতে পারে নাকি?
হেডফোন ফেলে ক্লিনিকের নাম কেটে
চলে যাবো, পথ্য আসারও আগে!

ফ্ল্যাশ ব্যাক হাসপাতাল দূরে দেখা যায়
কপালে জলপট্টি হলদে বা কিছুটা ধূসর
জ্বরে কাঁপা দেহ চিনচিন
বিস্কুট ভেজানো কাপে ভাগ্যরেখার ঢেউ
দুই হাত নক্ষত্রে তোলা, উড়ে যাচ্ছো বুঝি!

মমতার শাখা নদী কোন দিকে গেছে?
আন্তঃমহাদেশ ফেনা করা
স্রোতের উৎসব
ইস্পাত ভেঙে ছুটে যায়
মাটির রসে মুখ বুঁজে পড়ে থাকা বীজ
এবার দেখো পাতার উড়ালে কেমন
একাগ্র হয়ে আছে!
আভাসের ভাষা কত আন্তরিক হতে পারে
এক পায়ে দাঁড়ানো সারস
আমারে কি বলে নাই দাঘ্রিমা চেনার দিনে?
ঝরে পড়া বাঁশপাতার স্বর, খেলাঘর
আতাফলঘন রাত, শিশিরে উৎসব
সেল ফোন ফেলে দাও মা, শুনতে পাচ্ছি…




মুত্যুর পরে নিজের মুখখানা কেমন দেখাবে
এই প্রশ্ন তুলে ধরি বিভিন্ন আয়নায়।

এসব অহেতু গুঞ্জনে কসমেটিক কারখানা
বিজ্ঞাপনের ভাষা পাল্টাতে বিলম্ব করে না।
চোখের কান্না বলে, আয়না হিসেবে তার
জুড়ি নাই; প্রতিফলনের অন্য মাধ্যম
আগুনের চমক শেষে একদম চুপ!

তুমুল তোপধ্বনির পরে একটা মাছি
কাচের প্রাচীর ফাটিয়ে উড়ে যায়
বিকল্প বিষুবে। মৃত্যুছবি জীবনের দর্পনে
ফোটানো সহজ নয়, এই বলে আয়না
ফেটে যায়।




আদার মজুদ শেষ হলে বন্দরে চাঁদ ওঠে একা
খুচরা দামের টলটলে ঘাম, এমন বৃত্ত আঁকে
ভাঙা কপালের ছবি দেখা যায়
অবেলা সন্ধ্যায়!
আকাশের নিচে পথ, পটরেখা, বটের ঝুরিকা
ক্ষুধার চেয়ে ঢের বড় নীলে ফোটা বেদনার বেড়
তিন জাহাজ আলো সেই ঘাটে এসে ভেড়ে
খালি পেটে রান্নাঘর তেঁতে ওঠে মশলার ঘ্রাণে।

নিজের কবর দেখে বায়ে ঘুরে অন্য পথ ধরি
সরলরেখা একটু মচকালে শিরাপথে রক্তের ঘাই
এমন ধাক্কা মারে উল্টে যায় নখের কিনার
খালাসির আগেই বুঝি পরমায়ু ভিন্ন দিকে মোড়
বন্দরে মাল নয়, সারে সারে সর্বনাশ
হঠাৎ চমকায়।
The letter becomes strange after the epistles break
Remains only the lamentations, dumb and deaf words
Words that you never wanted to understand willingly or not
The encumbrance of it flew away riding on a bird’s neck

The sky is sleeping deep carrying a world of shadow
Oh Ichamoti*, set your sail this time, Your boat got
full of bunch of flower bloomed purposelessly with no care.
Someone sitting in ambush in my body, I know.

Noboby should be worshiped more than his own soul
Into heavy inevitable pain one have to be fallen
Admitting all human faces as stone idol
Suddenly the eyes get caught in bewitchment.
Own grip hides oneself for long days
Like a clay doll I grow in golden ark

I reserve a plain day in your eyes for you, an afternoon of Lu breeze and numerous auspicious nights. Primitive Termitte that ate whole bone marrow by sharp nail got cut all the crops of ceaseless labor.There plays Mandira*, soul trembles on playing of conch shells, the unsettled fear will end, the name that’s kept secret beside the unwritten diary for which a Ashura mourning may come down. After the condolence motion, all the giggling will touch my blind fingers of destitute hand.

On your world of hunger, there are basket full of clouds, kiln tickling down the chest, After narcissism is learnt, concourse becomes pale, nights are submitted under the arms.

( City of sea)
Sleeping lips awake in the midnight, ice-cold finger. Fly away the dust from the bed, on mirror rises the brown bar, passing the swarm of grass while commencing to the sea–here all the songs become dead. The rosy horse gets up suddenly after a dip in the patadise of abyss. Still then, the fountain in Himchari* is on, temple Of Maya* rises on the acme of the mountain.
The liar city is burning in the sleeping lips. Through the air here’s coming instrumental in queue.The dried out finger in old draught commences slowly to the ocean in the wailing of water. Necessarily the deserted fields hang on reddish and ants celebrate moments on sweet. Remote village is shaken on by Awkward silence. In the foggy dust of the road, a goup of drunkards are enjoying under the luscious moon.

Village-mate lovers are in sleep now
Highway is found hanging on the window
Nocturnal vehicles—intoxicated eyes
A little away from the sea, you find foams
Signs of winds are lying on the sands
Some rivers are coming towards me
I see wreckage in the distant sea
Every man is falling out like birds
And the ancient fishes are swallowing the lover’s eye.


RIMJHIM AHMED >> Original three poems in Bengali


হরফ ভাঙার পর চিঠিটা অচেনা হয়ে যায়
থাকে শুধু হাহাকার, মূক ও বধির শব্দমালা
অনিচ্ছেয় কি ইচ্ছেয় যে কথা বোঝোনি কোনদিন
পাখিদের ঘাড়ে চেপে উড়ে গেছে দূরে তার দায়
ছায়ার সংসার পেতে আকাশ অঘোর ঘুমিয়েছে
এইবেলা পাল তোল, ইছামতী-তোমার নৌকোয়
ল্যান্টানা ফুলেরগুচ্ছ অযতনে ফুটেছে বৃথা-ই
আমার শরীরে বসে কে যেন ঘাপটি মেরে আছে !
আত্মার চেয়েও কেউ অধিক পূজিত হতে নেই
অনিবার্য বৃষ্টি ভারে নিজেকে পতিত হতে হয়
মানুষের মুখগুলি পাথরের মূর্তি মেনে নিয়ে
চোখ টেনে নিয়ে যায় কুহকের দিকে নিমিষেই
নিজেকে লুকিয়ে রাখে বহুদিন নিজেরই মুঠি
মাটির পুতুল সেজে সোনার সিন্ধুকে বেড়ে উঠি

তোর জন্য একটা আলাভোলা দিন তুলে রাখি চোখের ভেতর, একটা
লু-হাওয়া বিকেল আর অসংখ্য পয়মন্ত রাত। খাবলে নিয়েছে যেসব
অস্থিমজ্জা আদিমতম ঘুণ নখের শানে সব কাটা পড়ছে নিরলস শ্রমের
ফসল। মন্দিরা বেজে চলে, শাঁখের শব্দে আত্মা কেঁপে ওঠে। যবনিকা
টেনে নেবে অমীমাংসিত শঙ্কা, না লেখা দিনলিপির পাশে যে নাম রয়ে
যায় অপ্রকাশ্য, তার জন্য একটি শোকের আশুরা নামবে পৃথিবীতে।
শোক প্রস্তাব শেষে খিলখিল হাসি সব ছুঁয়ে দেবে অন্ধ আঙুল আমার
পরিত্যক্ত হাতের….
তোর খিদের পাড়ে ঝুড়িভর্তি মেঘ, বুক জুড়ে সুড়সুড় করে নেমে যাচ্ছে
ভাটি! আত্মরতি শিখে গেলে সঙ্গমও বর্ণহীন; রাতগুলো জমা পড়ে বাহুতলে।


মধ্যরাতে জেগে ওঠে ঘুমন্ত ঠোঁট, বরফ আঙুল। বিছানার ধুলো উড়ে যাচ্ছে, আয়নায় জেগে ওঠে বাদামি চর, সবুজ চাঁদ। ঘাসের জঙ্গল পেরিয়ে সমুদ্রের দিকে যেতে যেতে মিথ্যে হয়ে যায় তাবৎ গান, পাতালের স্বর্গ থেকে সহসা ডুব দিয়ে ওঠে গোলাপি ঘোড়া। তখনও হিমছড়ির ঝর্ণা ঝরছে…. পাহাড়ের চূড়ায় জেগে উঠে মায়ামন্দির।

ঘুমন্ত ঠোঁটে পুড়ে যাচ্ছে মিথ্যেবাদী শহর। সারিবেঁধে আসছে যন্ত্রসঙ্গীত হাওয়ায় হাওয়ায়। প্রাচীন খরায় শুকিয়ে যাওয়া আঙুল জলের হাহাকারে ক্রমশ এগুচ্ছে সমুদ্রের দিকে… চোখে বিরানপ্রান্তর অগত্যা লাল হয়ে ঝুলে পড়ে; তখন পিঁপড়েদের রাজ্যজুড়ে মিষ্টান্নভোজ। দুরগ্রাম ফুলে উঠছে বেঢপ নৈঃশব্দ্যে। রাস্তাজুড়ে ধুলোকুয়াশায় অন্ত্যক্ষর খেলছে একদল মাতাল- কামুক চাঁদের নিচে।

পাড়াতো প্রেমিকেরা ঘুমিয়ে পড়েছে
জানালায় ঝুলে আছে হাইওয়ে
রাতের গাড়ি– ঢুলুঢুলু চোখ
কিছুদূর এগোলেই সমুদ্র, ফেনা
বালিতে বাতাসের পদচিহ্ন পড়ে আছে
কয়েকটা নদী এগিয়ে আসছে আমার দিকে
আমি দেখছি, কোন দূর সমুদ্রে জাহাজডুবি হচ্ছে
ছিটকে পড়ছে একেকটা মানুষ পাখির মতো
আর প্রাচীন মাছেরা গিলে খাচ্ছে প্রেমিকের চোখ।



Drawing-room in the Evening
A pair of panicked leg is climbing stairs—
Sunset is happening in her ankles in grand display
And this is why huge dispute in the drawing room.
Just after the dusk comes, there begins the third world war
regarding the ownership of a tacit sesame on her chin.
The young lovers are waiting with deep and prolonged kisses.
Soon there will flee fiery breaths and eruption in the orchid petals.
And surely the whole kissable area will be burnt!


Poetry of Saturday
The bountiful vine in this slopes of the valley
The Mediterranean is seen far away
The ancient air blows through the wooden colored sunshines
In this outskirts of the mountains
In the sheep’s wool factory
I run my livelihood
I keep my school going son in my thoughts along with barley bread
In the evening, in this drunkard valley
Nobody traced me in a tavern.

Such an incumbent crowd around the poet’s coffin!
There are mourning of the stupid masks around the dais.
In the moment of reverence,
Take back your all purposeful tears.


On Rain
Here drenches the prestigious petals of Orchid
and the violet falsehood;
Here drenches the gloomy classroom– On the moist blackboard
your cloud-black wide open hairs.
The trembling heart when I was in class Nine–
Inside the dithering lips like geometry box
there strucks the lonely compass- in the riddling pencil of evening;
Your every whisper sticks on the flowerpot
I came down through the echoes of stepping stairs.
There translated your widespread ego
Here gets wet your geography of heart
Wets and dries in the loving translation of noon.
In the lanten light of farest stars
there comes down the cheering rain.


MOSABBIR AHE ALI >> Original three poems in Bengali

সন্ধ্যার ড্রয়িং রুম

সিঁড়ি ভাঙছে একটি ত্রস্ত নাজুক পা –
গোড়ালিতে তার মহাসমারোহে ঘটমান সূর্যাস্ত;
ড্রয়িংরুমে বিস্তর বিতণ্ডা।
চিবুকের একটি নির্বাক তিলের মালিকানা ঘিরে সন্ধ্যার পরপরই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের শুরু।
যুবকদল গভীর ও প্রলম্বিত চুমু নিয়ে প্রস্তুত।
জানি অচিরেই ছুটবে আগুনশ্বাস ও অর্কিডচূড়ায় অগ্ন্যুৎপাত —
পুড়ে যাবেই চুমুযোগ্য সমস্ত ক্ষেত্রফল।

শনিবারের কবিতা
এই উপত্যকার ঢালে উদার আঙুরবন–
দূরে মেডেটারেনিয়ান দুপুর
কাঠরঙ রোদে ভাসছে প্রাচীন হাওয়া
এই পাহাড়ি উপকন্ঠে
ভেড়ার উলের কারখানায়
আমার রোজগার
যবের রুটির সাথে মাথায় থাকে স্কুলগামী পুত্র
সন্ধ্যায়, এই মাতাল উপত্যকায়
কেউ আমাকে পানশালায় যেতে দেখেনি
কবির কফিনের সামনে এমন আরোপিত ভীড়!
এতসব নির্বোধ
মুখোশের শোক– বেদি’র আশপাশে!
সৎকার মুহূর্তের
তোমাদের সকল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অশ্রু
তুলে নাও


ভিজে যায় অর্কিডের সম্ভ্রম
বেগুনী মিথ্যে
বিষণ্ন ক্লাসরুম– আর্দ্র ব্ল্যাকবোর্ডে
তোমার সমস্ত খোলা চুল;
থরথর নবম শ্রেণী মন
কাঁপা ঠোঁটের জ্যামিতিবক্সে
একাকী কম্পাস
বিঁধে যায় — হেঁয়ালি সন্ধ্যার পেন্সিলে
ছাদে বৃষ্টির বিপুল গান–
টবে লেগে আছে তোমার
নেমে যাই
সিঁড়ির প্রতিধ্বনিতে
তর্জমা হয় তোমার বিস্তৃত অভিমান
ভিজে একাকার ভূগোল প্রথমপত্র
দুপুরের প্রেমিক অনুবাদে ভিজে-
শুকোয়; দূর নক্ষত্রের ম্লান আলোয়
তোমার চিবুকের স্বাদের সমান
অমৌন বৃষ্টি নেমে আসে।





Pride and Bloomed Tears
Her heavy hair is humble and lowered near the tranquil stream. Leaving this homeless, mud walls and the illusory figure of river bank. Someone upholds the thin light beams severally from my vacuous recess. Far of head, underneath the trembling branches of Ashok, there emerges a star.

A rough, uncovered page of a book, is getting condensed with the maiden melody of morning. In a corner of calm open field like the endless squint of pleasures from house master, like stepping down near the side of the road touching one’s sense. Like flowing down to a sounding cold smoked nebula!


After a while, the sun will rise. Near my fathers head, spreading straws, kneeling down, this scene can be enjoyed. See, mother Ganges is taking back the spell of initiation-nectar. Before exactly the dusk comes, yet the life-graph of a sad women, is blowing to the faint flame of a lamp. Placid chirping of a bird is blowing from the world of infinity.

Older words suddenly rang, merged under the shadowy music of cricket. Far far away, the flames of night are almost extinguished. The cowboys are passing with their cows. The sun-rays from dusk came down on the glue leaves and bough as if flame shines inside the lantern. Leaving water all the waves are coming up slowly.

Following their footprint we are questing the beasts. This earth, this tortous and obsessed wave breaking darkness don’t belong to us. Breaths are no longer holding us this time. As if from own navel vessels, words are resurfacing slowly. I behold him denying deep sleep in lamplight, on the bank of turbid water.

Rambling around the paths, we pay heed to the pains of lathy leaves. Where will they stop coming down beyond the grave? The wind is carrying the bitter flavor of leaves. Calotropis flower are falling down into one of afternoons. A torned grass as if solitary lonely, fell asleep sheltered on apex of the mountains that’s bestrewn of waves.


ANUPAM MONDOL >> Original three poems in Bengali



অহম ও অশ্রুমঞ্জরী

তার কেশ ভার, নত হয়ে আছে। শান্ত জলের ধারে। এই নিরাশ্রয়, মাটির দেয়াল, মায়াবদ্ধ তটিনী কূলের দেহ ছেড়ে সন্ধ্যা নামছে। শূন্য গৃহকোন থেকে একে একে কেউ তুলে ধরছে শীর্ণ আলোকের রেখা। মাথার সুদূরে, ওই কম্পিত অশোক শাখার তলে, যেন একটা নক্ষত্র জেগে উঠেছে।

রুক্ষ, অনাবৃত পুঁথির একটা পাতা, প্রভাতের প্রথম সুরে ঘন হয়ে উঠছে। ওই শান্ত মুক্ত প্রান্তরের এক কোনে। যেন কোন গৃহদেবতার লীলার অপার কটাক্ষ; কারো মর্মতল ঘেঁষে নেমে আসছে ওই অনন্ত পথের পারে। শব্দায়মান, কোন হিম ধূমাবৃত নীহারিকার কাছে।


কিছু পরে সূর্যদেব দেখা দেবেন। পিতার শিয়রের পাশে, খড় পেতে, হাঁটু গেঁড়ে এই দৃশ্য দেখা যায়। দেখা যায় ওই গঙ্গামাতা ফিরিয়ে নিচ্ছেন অমৃতের দীক্ষামন্ত্র। সন্ধ্যা ঠিক হয়নি, তবু কোন চিরদুঃখিনীর অমৃতময়ী জীবনধারা, বাতির ক্ষীণালোক লক্ষ্য করে বহে চলেছে। অনন্তের পার থেকে ভেসে আসছে একটি শান্ত পাখির ডাক।


পুরাতন কথাগুলো একবার বেজে উঠে, ঝিঁঝিঁদের ঐ আবছা গানের তলে মিশে গেল। অতি দূরে নির্বাপিতপ্রায় রাত্রির শিখাগুলি। রাখালেরা গাভীদের নিয়ে পার হচ্ছে। সূর্যাস্তের কণাগুলি এমন ভাবে এসে নেমেছে শিরিষের পাতায়, ডালের ওপরে। যেন লণ্ঠনের ভেতরে আলো জ্বলছে। জল ছেড়ে একে একে উঠে আসছে তরঙ্গ সকল।


পদচিহ্ন ধরে আমরা হারানো পশুগুলো খুঁজে চলেছি। এই মাটি, ঘোর কুটিল তরঙ্গভঙ্গিত অনালোক আমাদের নয়। প্রাণবায়ু এই সময়ে আর ধারণ করতে পারছেনা আমাদের। যেন আপন নাভিপাত্র থেকে, একে একে ভেসে উঠছে শব্দ। দীপালোকে, তীরের কালো জলে সুষুপ্তি ধুয়ে মুছে আমি তারে দেখি।


অচেনা পথটি ঘুরে ঘুরে, আমরা শীর্ণ পাতার ব্যথাটুকু আজ শুনি। সমাধির ওপার হতে নেমে আবার কোথায় দাঁড়াবে তারা। হাওয়ারা পাতার তিক্ত গন্ধ বয়ে নিয়ে আসছে। আকন্দ ফুলগুলি, কোন এক অপরাহ্নের ভেতরে ঝরে যাচ্ছে। একটি তৃণখণ্ড, নিঃসঙ্গ, একা, তরঙ্গসমাকীর্ণ ঐ শৈলাগ্র আশ্রয় করে পুনর্বার ঘুমিয়ে পড়েছে যেন।


[Translated from Bengali
Editor in-charge, Teerandaz English.]



Share Now শেয়ার করুন